মাদারীপুরে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বই বিতরণ

মাদারীপুরে স্কুলপর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের জাতীয় ভিত্তিক উৎকর্ষ (বইপড়া) কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ও বই বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ১৫ জুন সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিকাশ লিমিটেডের আর্থিক সহায়তায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সদর উপজেলার ৫টি নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীর প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। শুরুতে শিক্ষার্থীদের মাঝে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মূল আলোচনা সভা শেষে কুইজে বিজয়ী ৪০ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার হিসেবে আকর্ষণীয় বই ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। ​বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ মর্জিনা আক্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম-পরিচালক (প্রোগ্রাম) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন। আরও পড়ুন উন্মোচিত হলো সুকোমল বড়ুয়া ও হুমায়ুন কবিরের নতুন বই ​প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ‌‘জ্ঞানপিপ

মাদারীপুরে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বই বিতরণ

মাদারীপুরে স্কুলপর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের জাতীয় ভিত্তিক উৎকর্ষ (বইপড়া) কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ও বই বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ১৫ জুন সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিকাশ লিমিটেডের আর্থিক সহায়তায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সদর উপজেলার ৫টি নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীর প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। শুরুতে শিক্ষার্থীদের মাঝে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মূল আলোচনা সভা শেষে কুইজে বিজয়ী ৪০ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার হিসেবে আকর্ষণীয় বই ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

book

​বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ মর্জিনা আক্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম-পরিচালক (প্রোগ্রাম) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ‌‘জ্ঞানপিপাসা বাড়াতে হবে এবং এই পিপাসা মেটানোর শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হলো বই। নিজেদের জ্ঞানকে বৃদ্ধি করার জন্য বইপড়ার কোনো বিকল্প নেই। আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার জন্য একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি সব ধরনের বইপড়া খুবই দরকার।’

book

তিনি বইপড়াকে দায়িত্ব মনে না করে আনন্দের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতে শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানান। জেলার সব বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি চালুর ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্তরিক সহযোগিতা ও আহ্বানের কথা ব্যক্ত করেন।

​অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মাদারীপুর শাখার সংগঠক লিখন মাহমুদ। তিনি মাদারীপুরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সুদীর্ঘ ঐতিহাসিক পথচলার স্মৃতিচারণ করে নতুন যুক্ত হওয়া ৫টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের আলোর ভুবনে স্বাগত জানান।

book

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি মিলন সব্যসাচী এবং বিকাশ লিমিটেডের ভিপি অ্যান্ড হেড অব রেগুলেটরি অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ূন কবির। বক্তারা শিক্ষার্থীদের মননশীলতা গঠন ও সৃজনশীলতার বিকাশে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি এ ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এই মহৎ উদ্যোগে পাশে থাকার জন্য বিকাশ লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান।

​এ বছর সদর উপজেলার ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি সম্প্রসারিত হয়েছে। সেগুলো হলো—জেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আলহাজ আমিনউদ্দিন হাই স্কুল, বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এবং জুলিও কুরী উচ্চ বিদ্যালয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় বইসমূহ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুলে সরবরাহ করা হবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুল থেকে বই সংগ্রহ ও পরিবর্তন করে বাড়িতে পড়ার সুযোগ পাবেন।

এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow