মালদ্বীপে মাদক ও জুয়ার অভিযোগে ৩৮ বাংলাদেশি আটক

মালদ্বীপে মাদক রাখা, সেবন এবং জুয়াসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৮ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের নিজ দেশে ফেরতে মালদ্বীপ ইমিগ্রেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মালদ্বীপ পুলিশ সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেশটির পুলিশ গোয়েন্দা বিভাগ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানের মাধ্যমেই অভিযুক্ত ৩৮ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আটকদের অভিবাসন আইন অনুযায়ী বহিষ্কারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রাখা হয়েছে। খুব দ্রুতই তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। বর্তমানে মালদ্বীপে মাদক সংক্রান্ত অপরাধ, সহিংসতা ও বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে বিদেশি নাগরিকদের সম্পৃক্ততা নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে দেশটিতে অবৈধ অভিবাসীদের অনিয়ন্ত্রিত উপস্থিতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির সরকার বর্তমানে ‘অপারেশন কুরাঙ্গি’ নামক একটি বিশেষ কর্মসূচি পরিচালনা করছ

মালদ্বীপে মাদক ও জুয়ার অভিযোগে ৩৮ বাংলাদেশি আটক

মালদ্বীপে মাদক রাখা, সেবন এবং জুয়াসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৮ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের নিজ দেশে ফেরতে মালদ্বীপ ইমিগ্রেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মালদ্বীপ পুলিশ সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেশটির পুলিশ গোয়েন্দা বিভাগ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানের মাধ্যমেই অভিযুক্ত ৩৮ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়।

পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আটকদের অভিবাসন আইন অনুযায়ী বহিষ্কারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রাখা হয়েছে। খুব দ্রুতই তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

বর্তমানে মালদ্বীপে মাদক সংক্রান্ত অপরাধ, সহিংসতা ও বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে বিদেশি নাগরিকদের সম্পৃক্ততা নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে দেশটিতে অবৈধ অভিবাসীদের অনিয়ন্ত্রিত উপস্থিতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির সরকার বর্তমানে ‘অপারেশন কুরাঙ্গি’ নামক একটি বিশেষ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এই অভিযানের মাধ্যমে দেশটিতে বসবাসরত বিদেশি কর্মীদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ এবং তাদের বৈধ করার প্রক্রিয়া চলছে।

মালদ্বীপের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইহুসান জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ সফলভাবে সম্পন্ন হলে দেশটিতে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিকের সঠিক তথ্য ও পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এটি কার্যকর হলে ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে মালদ্বীপ সরকার।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow