কেন বিদ্যা বালানকে ভয় পেতেন অক্ষয় পুত্র?

২০০৭ সাল, প্রেক্ষাগৃহের নিস্তব্ধতা চিরে হঠাৎ এক নারী কণ্ঠে ভেসে এল সেই অভিশপ্ত সুর— ‘আমি মঞ্জুলিকা…!’ সঙ্গে হাড়হিম করা এক অট্টহাসি। ব্যাস, সেই মুহূর্তেই ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে চিরস্থায়ী এক আতঙ্কের নাম হয়ে খোদাই হয়ে গেলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। কিন্তু পর্দার সেই মঞ্জুলিকার প্রভাব যে শুধু দর্শকদের মনেই নয়, বরং বলিউড খিলাড়ি  অক্ষয় কুমারের অন্দর মহলেও কম্পন ধরিয়ে দিয়েছিল, তা কে জানত? সম্প্রতি নিজের নতুন ছবি ‘ভূত বাংলা’র প্রচারে এসে এক বিস্ফোরক ও মজার তথ্য ফাঁস করলেন অক্ষয়। তিনি জানালেন, পর্দার মঞ্জুলিকাকে দেখে তার ছেলে আরাভ  এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন যে, দীর্ঘ ৬ বছর তিনি বাস্তবের বিদ্যা বালানের সামনে যাওয়ার সাহসটুকুও হারিয়েছিলেন। বিদ্যা বালান বাড়িতে এলেই নাকি ভয়ে থাকতেন আরাভ। ভারতীয় গণমাধ্যমে এ বিষয়ে অক্ষয় বলেন, ‘সম্প্রতি ছেলের সঙ্গে কথা বলছিলাম। ও জানাল, ভুলভুলাইয়া দেখার পর প্রায় ছয় বছর ও বিদ্যার সঙ্গে কথা বলেনি। ও বিদ্যাকে মারাত্মক ভয় পেত। বিদ্যা যখন আমাদের বাড়িতে আসত, আরভ ওর চোখের দিকে তাকাতে পারত না। ওকে একবার দেখা করতে বললেও ও রাজি হত না।'  অভিনেতা হাসতে হাসতে আর

কেন বিদ্যা বালানকে ভয় পেতেন অক্ষয় পুত্র?

২০০৭ সাল, প্রেক্ষাগৃহের নিস্তব্ধতা চিরে হঠাৎ এক নারী কণ্ঠে ভেসে এল সেই অভিশপ্ত সুর— ‘আমি মঞ্জুলিকা…!’ সঙ্গে হাড়হিম করা এক অট্টহাসি। ব্যাস, সেই মুহূর্তেই ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে চিরস্থায়ী এক আতঙ্কের নাম হয়ে খোদাই হয়ে গেলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। কিন্তু পর্দার সেই মঞ্জুলিকার প্রভাব যে শুধু দর্শকদের মনেই নয়, বরং বলিউড খিলাড়ি  অক্ষয় কুমারের অন্দর মহলেও কম্পন ধরিয়ে দিয়েছিল, তা কে জানত?

সম্প্রতি নিজের নতুন ছবি ‘ভূত বাংলা’র প্রচারে এসে এক বিস্ফোরক ও মজার তথ্য ফাঁস করলেন অক্ষয়। তিনি জানালেন, পর্দার মঞ্জুলিকাকে দেখে তার ছেলে আরাভ  এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন যে, দীর্ঘ ৬ বছর তিনি বাস্তবের বিদ্যা বালানের সামনে যাওয়ার সাহসটুকুও হারিয়েছিলেন। বিদ্যা বালান বাড়িতে এলেই নাকি ভয়ে থাকতেন আরাভ।

ভারতীয় গণমাধ্যমে এ বিষয়ে অক্ষয় বলেন, ‘সম্প্রতি ছেলের সঙ্গে কথা বলছিলাম। ও জানাল, ভুলভুলাইয়া দেখার পর প্রায় ছয় বছর ও বিদ্যার সঙ্গে কথা বলেনি। ও বিদ্যাকে মারাত্মক ভয় পেত। বিদ্যা যখন আমাদের বাড়িতে আসত, আরভ ওর চোখের দিকে তাকাতে পারত না। ওকে একবার দেখা করতে বললেও ও রাজি হত না।' 

অভিনেতা হাসতে হাসতে আরও যোগ করেন, ‘আমাকে টানা ৬ বছর ওকে বোঝাতে হয়েছিল যে, ‘ও বিদ্যা বালান, ও খুব ভালো মানুষ’। কিন্তু আরভ শুনত না। ওর মনে ওই ভয়টা একেবারে গেঁথে গিয়েছিল।‘

প্রসঙ্গত, প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় ‘ভুলভুলাইয়া’ ছবিতে ‘অবনী’ এবং ‘মঞ্জুলিকা’র দ্বৈত চরিত্রে বিদ্যা যে অভিনয় করেছিলেন, তা বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম সেরা সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার হিসেবে গণ্য হয়। বিশেষ করে ক্লাইম্যাক্সে বিদ্যার সেই রুদ্রমূর্তি বড়দেরও রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল, আর আরাভ তো তখন নিতান্তই শিশু। পর্দার সেই আতঙ্ক যে বাস্তব জীবনের সম্পর্কেও এমন প্রভাব ফেলবে, তা বোধহয় খোদ অক্ষয়ও ভাবতে পারেননি।

এদিকে দীর্ঘ ১৪ বছর পর পরিচালক প্রিয়দর্শনের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি ‘ভূত বাংলা’ ছবিতে। আগামী ১৬ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে আসতে চলেছে এই সিনেমা। যেখানে অক্ষয়ের পাশাপাশি এ সিনেমায় দেখা যাবে টাবু, পরেশ রাওয়াল, ওয়ামিকা গাব্বি এবং রাজপাল যাদবকে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow