মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি দোকানিকে অপহরণ, দেশে মুক্তিপণ আদায়
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে এক বাংলাদেশি দোকানি অপহরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অপহরণকারীরা দেশে তার পরিবারের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা মুক্তিপণও আদায় করেছে। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ (৩৯) কক্সবাজারের বাসিন্দা। তিনি তামান মিহারজা এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে সেখানেই একটি ছোট মুদির দোকান চালাতেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই তাকে অপহরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বন্ধু পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাশেদ মোহাম্মদ গত ১৫ এপ্রিল চেরাস থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদের মা রাশেদকে ফোন করে জানান যে তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না এবং তাকে এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার অনুরোধ করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে রাশেদ ভাড়া বাসায় গিয়ে মোহাম্মদকে পাননি এবং পরে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ব্যর্থ হন। এরপর ১৩ এপ্রিল রাত ১টার দিকে মোহাম্মদের পরিবার রাশেদকে জানায়, তিনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দাবি করেছেন যে তাকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা অপহরণ করেছেন। অপহরণকারীরা প্রথমে এক লাখ রিঙ্গিত মুক্তিপণ দাবি করলেও পরে তা কমিয়ে ৫০ হাজারে নামিয়ে আনেন। পরিবারের সদস্যরা এরই মধ্যে অপহরণকারীদের নির্দেশনা
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে এক বাংলাদেশি দোকানি অপহরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অপহরণকারীরা দেশে তার পরিবারের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা মুক্তিপণও আদায় করেছে।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ (৩৯) কক্সবাজারের বাসিন্দা। তিনি তামান মিহারজা এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে সেখানেই একটি ছোট মুদির দোকান চালাতেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই তাকে অপহরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বন্ধু পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাশেদ মোহাম্মদ গত ১৫ এপ্রিল চেরাস থানায় অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদের মা রাশেদকে ফোন করে জানান যে তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না এবং তাকে এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার অনুরোধ করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে রাশেদ ভাড়া বাসায় গিয়ে মোহাম্মদকে পাননি এবং পরে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ব্যর্থ হন।
এরপর ১৩ এপ্রিল রাত ১টার দিকে মোহাম্মদের পরিবার রাশেদকে জানায়, তিনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দাবি করেছেন যে তাকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা অপহরণ করেছেন। অপহরণকারীরা প্রথমে এক লাখ রিঙ্গিত মুক্তিপণ দাবি করলেও পরে তা কমিয়ে ৫০ হাজারে নামিয়ে আনেন।
পরিবারের সদস্যরা এরই মধ্যে অপহরণকারীদের নির্দেশনা অনুযায়ী মোট চার লাখ ৯৭ হাজার টাকা তিনটি পৃথক ব্যাংক হিসাবে অনলাইনের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে নাসিমা আক্তারের নামে ৯৭ হাজার টাকা, ইসলামী ব্যাংকে নাসিমা আক্তারের নামে দুই লাখ টাকা ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অন্য একটি হিসাবে বিবি মরিয়মের নামে আরও দুই লাখ টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এত টাকা পাঠানোর পরও অপহরণকারীরা এখনো পরিবারকে মুক্তিপণের জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনাটি নিয়ে মালয়েশিয়া পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত অপহৃত ব্যক্তির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি এবং অপহরণকারীদের পরিচয়ও নিশ্চিত করা যায়নি।
এ বিষয়ে বুধবার (২২ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (কনস্যুলার) জানান, অপহরণের শিকার মোহাম্মদকে উদ্ধার এবং অপহরণকারীদের গ্রেফতারে মালয়েশিয়া পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। হাইকমিশন থেকেও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
একিউএফ
What's Your Reaction?