মালয়েশিয়ায় ময়লার স্তূপ থেকে কুমিল্লার প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার
উন্নত জীবনের আশায় মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার যুবক রবিউল হাসান রবিন (৩৫)। কিন্তু মাত্র তিন বছরের মাথায় সেখানে তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের ময়লার ডাম্পার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহত রবিউল হাসান রবিন তিতাস উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের কালাই গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রবিন মালয়েশিয়ায় যান। প্রথমে শাহআলম এলাকায় কাজ করলেও মাত্র ১৫ দিন আগে বুকিত জলিল এলাকার একটি চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। গত সোমবার (৪ মে) সকালে কাজে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন রবিন। পরদিন মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে নির্মাণাধীন ভবনের ভেতর থাকা ময়লা ফেলার স্থান (ডাম্পার) থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে মরদেহটি মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের শ্বশুর মো. রশিদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, বুকিত জলিলে যাওয়ার পর রবিনকে শ্রমিকদের বেতন হিসাবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই প
উন্নত জীবনের আশায় মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার যুবক রবিউল হাসান রবিন (৩৫)। কিন্তু মাত্র তিন বছরের মাথায় সেখানে তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের ময়লার ডাম্পার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
নিহতের পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
নিহত রবিউল হাসান রবিন তিতাস উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের কালাই গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রবিন মালয়েশিয়ায় যান। প্রথমে শাহআলম এলাকায় কাজ করলেও মাত্র ১৫ দিন আগে বুকিত জলিল এলাকার একটি চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। গত সোমবার (৪ মে) সকালে কাজে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন রবিন। পরদিন মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে নির্মাণাধীন ভবনের ভেতর থাকা ময়লা ফেলার স্থান (ডাম্পার) থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে মরদেহটি মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের শ্বশুর মো. রশিদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, বুকিত জলিলে যাওয়ার পর রবিনকে শ্রমিকদের বেতন হিসাবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই পদোন্নতি নিয়ে তার সহকর্মীদের মধ্যে বিরোধ ও প্রতিহিংসার সৃষ্টি হয়েছিল। আমাদের ধারণা, সেই প্রতিহিংসা থেকেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ময়লার ডাম্পারে ফেলে রাখা হয়েছে।
রবিনের স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তার জানান, সোমবার সকালে জালাল ও সেন্টু নামের দুই ব্যক্তি ফোনে রবিনের নিখোঁজের খবর দেন। পরে স্থানীয় প্রবাসীরা গিয়ে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বললে তাদের বক্তব্যে নানা অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এতেই পরিবারের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।
রবিনের বড় ভাই খোকন বলেন, রবিনই ছিল আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার ছোট ছোট তিনটি সন্তান রয়েছে। এখন তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমরা দ্রুত আমার ভাইয়ের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চাই এবং এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
নিহত রবিনের ১৫ বছর বয়সী এক ছেলে, ৫ বছরের এক মেয়ে এবং মাত্র ২ বছর বয়সী একটি ছোট ছেলে রয়েছে। তার এই অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ বিষয়ে তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুর রহমান জানান, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। নিহতের পরিবার থেকে লিখিতভাবে জানানো হলে মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?