মায়ের জীবন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী ও দেশবাসীর সহযোগিতা চাইলেন ঢাবি শিক্ষার্থী
ক্যানসার আক্রান্ত মায়ের জীবন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী সজল কুমার। ঢাবির জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের মেধাবী এ শিক্ষার্থী তার মা স্বপ্না রাণীর (৪৬) জীবন রক্ষায় সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে সজলের মা স্বপ্না রানীর ক্যানসার ধরা পড়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় রোগটির নাম ‘সিএআরটি ব্রেস্ট, আইডিসিসি, জি-২’। বর্তমানে ‘গ্রেড-২ ব্রেস্ট ক্যানসার’-এ আক্রান্ত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।
সজল জানান, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে তার মায়ের চিকিৎসা চললেও বর্তমানে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে। কেমোথেরাপির সময় জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় এবং আগের চিকিৎসা কার্যকর না হওয়ায় গত ১৫ এপ্রিল চিকিৎসকরা নতুন চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছেন।
তবে নতুন চিকিৎসা শুরু হলেও তার মায়ের তীব্র শারীরিক ব্যথা কমছে না এবং টিউমারের আকার বেড়েই চলেছে। অসহনীয় ব্যথায় তার মায়ের জীবন এখন সংকটাপন্ন।
এমতাবস্থায় চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য সজল তার মাকে দ্রুত বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা করছ
ক্যানসার আক্রান্ত মায়ের জীবন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী সজল কুমার। ঢাবির জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের মেধাবী এ শিক্ষার্থী তার মা স্বপ্না রাণীর (৪৬) জীবন রক্ষায় সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে সজলের মা স্বপ্না রানীর ক্যানসার ধরা পড়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় রোগটির নাম ‘সিএআরটি ব্রেস্ট, আইডিসিসি, জি-২’। বর্তমানে ‘গ্রেড-২ ব্রেস্ট ক্যানসার’-এ আক্রান্ত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।
সজল জানান, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে তার মায়ের চিকিৎসা চললেও বর্তমানে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে। কেমোথেরাপির সময় জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় এবং আগের চিকিৎসা কার্যকর না হওয়ায় গত ১৫ এপ্রিল চিকিৎসকরা নতুন চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছেন।
তবে নতুন চিকিৎসা শুরু হলেও তার মায়ের তীব্র শারীরিক ব্যথা কমছে না এবং টিউমারের আকার বেড়েই চলেছে। অসহনীয় ব্যথায় তার মায়ের জীবন এখন সংকটাপন্ন।
এমতাবস্থায় চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য সজল তার মাকে দ্রুত বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা সম্পন্ন করা সজলের পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে সহপাঠী ও শুভানুধ্যায়ীদের সহায়তায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৯১ টাকা সংগৃহীত হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য।
জানা গেছে, পড়াশোনায় দারুণ মনোযোগী সজল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী। তবে মায়ের এমন অসুস্থতায় মেধাবী হয়েও পড়াশোনা ছেড়ে সজলকে লড়তে হচ্ছে অদৃশ্য শত্রুর সঙ্গে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে সজলদের বাড়ি। একেবারে হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম সজলদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। পেশায় কাঠমিস্ত্রি বাবার সংগ্রামী ছেলে সজল টিউশনি করে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের খরচ চালাচ্ছেন।
স্বপ্না রাণীর চিকিৎসার খরচ যোগাতে গিয়ে ইতোমধ্যে সজলদের ১০ শতক জমি, তিনটি গরুসহ সহায়-সম্বল প্রায় সবই বিক্রি করতে হয়েছে। এতদিন দেশেই চিকিৎসা চালিয়েছেন। কিন্তু আশানুরূপ ফল মেলেনি। এখন যতদ্রুত সম্ভব দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। দেশের বাইরে জটিল এই রোগের চিকিৎসায় প্রায় ১৫ লাখ টাকার মতো দরকার।
এমন পরিস্থিতিতে সজল তার মায়ের জীবন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সবার কাছে আশীর্বাদ ও আর্থিক সহায়তার প্রার্থনা করেছেন। কেউ চাইলে সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসার প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করতে পারবেন। সজল এই মানবিক আবেদনটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।
সহযোগিতা করতে চাইলে :
০১৬ ১২০ ২৩ ৮৮৬ (বিকাশ, নগদ, রকেট। পারসোনাল)
ব্যাংক হিসাব নম্বর :
ব্র্যাক ব্যাংক
অ্যাকাউন্টের নাম : Shojol Kumar
অ্যাকাউন্ট নাম্বার: 1066367030001
শাখা : এলিফ্যান্ট রোড
রাউটিং নাম্বার: 060261339
ইসলামী ব্যাংক
অ্যাকাউন্ট নাম : Shojol Kumar
হিসাব নম্বর : 20502156700186003
শাখা : এলিফ্যান্ট রোড
রাউটিং নাম্বার : 125261337