মা দিবস উপলক্ষে টগুমগুর দুই দিনের আয়োজন শুরু
মা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে শুরু হয়েছে দেশের প্রথম প্যারেন্টিং অ্যাপ টগুমগুর দুই দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন। শুক্রবার (৮ মে) উত্তরার সেক্টর ১২-এর সোনারগাঁও জনপথ সড়কে অবস্থিত টগুমগু প্যারেন্টিং হাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পরিবারকেন্দ্রিক এ উৎসব। শিশু ও অভিভাবকদের জন্য আয়োজিত এ বিশেষ অনুষ্ঠানে রাখা হয়েছে নানা ধরনের বিনোদন ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম। দিনব্যাপী আয়োজনে রয়েছে পাপেট শো, ম্যাজিক পারফরম্যান্স, ইন্টারঅ্যাকটিভ স্টেজ গেম, ক্রাফটিং সেশন এবং শিশুদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এ ছাড়া শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ, মানসিক স্বাস্থ্য ও ইতিবাচক প্যারেন্টিং নিয়ে বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এসব সেশনে অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে। উৎসবে অংশ নেওয়া অভিভাবকেরা জানান, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি পরিবার নিয়ে একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে শিশুদের সৃজনশীলতা ও সামাজিক বিকাশেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। টগুমগুর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. নাজমুল আরেফিন বলেন, সন্তানদের লালন-পালনে মায়েদের অবদান অপরিসীম। তাদের এই
মা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে শুরু হয়েছে দেশের প্রথম প্যারেন্টিং অ্যাপ টগুমগুর দুই দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন।
শুক্রবার (৮ মে) উত্তরার সেক্টর ১২-এর সোনারগাঁও জনপথ সড়কে অবস্থিত টগুমগু প্যারেন্টিং হাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পরিবারকেন্দ্রিক এ উৎসব।
শিশু ও অভিভাবকদের জন্য আয়োজিত এ বিশেষ অনুষ্ঠানে রাখা হয়েছে নানা ধরনের বিনোদন ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম। দিনব্যাপী আয়োজনে রয়েছে পাপেট শো, ম্যাজিক পারফরম্যান্স, ইন্টারঅ্যাকটিভ স্টেজ গেম, ক্রাফটিং সেশন এবং শিশুদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
এ ছাড়া শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ, মানসিক স্বাস্থ্য ও ইতিবাচক প্যারেন্টিং নিয়ে বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এসব সেশনে অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে।
উৎসবে অংশ নেওয়া অভিভাবকেরা জানান, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি পরিবার নিয়ে একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে শিশুদের সৃজনশীলতা ও সামাজিক বিকাশেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
টগুমগুর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. নাজমুল আরেফিন বলেন, সন্তানদের লালন-পালনে মায়েদের অবদান অপরিসীম। তাদের এই অসাধারণ ত্যাগ ও ভালোবাসাকে সম্মান জানাতেই মা দিবস উপলক্ষে আমাদের এই উদ্যোগ।
তিনি আরও বলেন, শহুরে জীবনে ইতিবাচক প্যারেন্টিং চর্চা বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি পরিবারে পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বৃদ্ধিতেও এটি সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আগামীকালও চলবে এ দুই দিনের উৎসব। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এবং পরিবারসহ অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আয়োজকরা।
What's Your Reaction?