মেনন-কামরুলের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু ২৩ জুন
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ২৩ জুন শুরু হবে।
বুধবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন মামলার প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল কার্যক্রম স্থগিত রেখে নতুন করে ২৩ জুন দিন ধার্য করেন।
এর আগে সকালে কারাগার থেকে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ৩০ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
মামলায় প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেনন বিভিন্ন ধরনের উসকানি দিয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা হিসেবে তারা নিরস্ত্র ছাত
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ২৩ জুন শুরু হবে।
বুধবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন মামলার প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল কার্যক্রম স্থগিত রেখে নতুন করে ২৩ জুন দিন ধার্য করেন।
এর আগে সকালে কারাগার থেকে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ৩০ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
মামলায় প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেনন বিভিন্ন ধরনের উসকানি দিয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা হিসেবে তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি কারফিউ জারির পক্ষে প্ররোচনা দেন।
তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র ও উসকানির ফলে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় অন্তত ২৩ জন নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন।