মেসি-এমবাপ্পের অনন্য কীর্তি, নেই অন্য কারও

বিশ্বকাপে গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে আবারও ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০২৬ বিশ্বকাপেও দুজনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তাদের নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। একাধিক বিশ্বকাপে পাঁচ বা তার বেশি গোল করার বিরল কীর্তি গড়েছেন এই দুই বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার। এর আগে একাধিক বিশ্বকাপে অন্তত পাঁচটি গোল করার কীর্তি ছিল শুধু পেরুর তেওফিলো কুবিয়াস (১৯৭০, ১৯৭৮), জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা (২০০২, ২০০৬) এবং থমাস মুলারের (২০১০, ২০১৪)। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (২০২২, ২০২৬) এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (২০২২, ২০২৬)। আরও একটি বিরল রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন এই দুই সুপারস্টার। ২১শ শতাব্দীতে মাত্র দুটি বিশ্বকাপে দুই ফুটবলার অন্তত ছয়টি করে গোল করেছেন। অবাক করার বিষয়, দুইবারই সেই দুজন ছিলেন মেসি ও এমবাপ্পে। ২০২২ বিশ্বকাপে এমবাপ্পে করেছিলেন ৮ গোল, মেসি ৭। আর ২০২৬ বিশ্বকাপে দুজনই এখন পর্যন্ত করেছেন ৬টি করে গোল। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বেও অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে অভিষেকের পর থেকে নকআউট পর্বে তার গোলসংখ্যা এখন ১০। এই সময়ে ফ্রান্সকে বাদ দিল

মেসি-এমবাপ্পের অনন্য কীর্তি, নেই অন্য কারও

বিশ্বকাপে গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে আবারও ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০২৬ বিশ্বকাপেও দুজনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তাদের নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। একাধিক বিশ্বকাপে পাঁচ বা তার বেশি গোল করার বিরল কীর্তি গড়েছেন এই দুই বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার।

এর আগে একাধিক বিশ্বকাপে অন্তত পাঁচটি গোল করার কীর্তি ছিল শুধু পেরুর তেওফিলো কুবিয়াস (১৯৭০, ১৯৭৮), জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা (২০০২, ২০০৬) এবং থমাস মুলারের (২০১০, ২০১৪)। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (২০২২, ২০২৬) এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (২০২২, ২০২৬)।

আরও একটি বিরল রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন এই দুই সুপারস্টার। ২১শ শতাব্দীতে মাত্র দুটি বিশ্বকাপে দুই ফুটবলার অন্তত ছয়টি করে গোল করেছেন। অবাক করার বিষয়, দুইবারই সেই দুজন ছিলেন মেসি ও এমবাপ্পে। ২০২২ বিশ্বকাপে এমবাপ্পে করেছিলেন ৮ গোল, মেসি ৭। আর ২০২৬ বিশ্বকাপে দুজনই এখন পর্যন্ত করেছেন ৬টি করে গোল।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বেও অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে অভিষেকের পর থেকে নকআউট পর্বে তার গোলসংখ্যা এখন ১০। এই সময়ে ফ্রান্সকে বাদ দিলে এমবাপ্পের চেয়ে বেশি নকআউট গোল করতে পেরেছে মাত্র দুটি দল—আর্জেন্টিনা (১৩) ও ক্রোয়েশিয়া (১১)। অর্থাৎ, একজন খেলোয়াড় হিসেবে এমবাপ্পে একাই বিশ্বের বেশিরভাগ জাতীয় দলের চেয়েও বেশি নকআউট গোল করেছেন।

এসকেডি/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow