যবিপ্রবির নতুন ট্রেজারার ড. ফারুক হাসান
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(যবিপ্রবি) নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান। তিনি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এর অনুমোদনক্রমে যবিপ্রবি আইন ২০০১ এর ১৩(১) ধারা অনুযায়ী হাবিপ্রবির কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসানকে যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, কোষাধ্যক্ষ পদে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ হতে ৪ (চার) বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যা পূর্বে ঘটে সেই সংখ্যা পর্যন্ত হবে। প্রজ্ঞাপন অনুসারে তিনি মাসিক সম্মানী প্রাপ্য হবেন। তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন এবং সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়োন সংবিধি ও আইন দ্বারা নির্ধারিত ও ভাইস চ্যান্সেলর কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতা ও দায়িত
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(যবিপ্রবি) নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান। তিনি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এর অনুমোদনক্রমে যবিপ্রবি আইন ২০০১ এর ১৩(১) ধারা অনুযায়ী হাবিপ্রবির কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসানকে যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, কোষাধ্যক্ষ পদে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ হতে ৪ (চার) বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যা পূর্বে ঘটে সেই সংখ্যা পর্যন্ত হবে। প্রজ্ঞাপন অনুসারে তিনি মাসিক সম্মানী প্রাপ্য হবেন।
তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন এবং সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়োন সংবিধি ও আইন দ্বারা নির্ধারিত ও ভাইস চ্যান্সেলর কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।
What's Your Reaction?