যাদুকাটা নদীতে ভেসে উঠলো নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীতে সালাহ উদ্দিন (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ ভেসে উঠেছে। বুধবার সকালে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগড়া রহিছ মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন যাদুকাটা নদীতে এই ঘটনা ঘটে। মৃত সালাহ উদ্দিন কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার মৃত আলী আকবরের ছেলে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মিয়ারচর গ্রামে বসবাস করছিলেন।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সালাহ উদ্দিন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের মিয়ারচর গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান তারা মিয়ার বাড়িতে পরিবার নিয়ে বাস করতেন। তিনি নিজের এবং তারা মিয়া চেয়ারম্যানের গৃহপালিত পশু মাঠে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যেতেন এবং সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরতেন। গত সোমবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে খুঁজে পাননি। আজ সকাল ৯টার দিকে তার মৃতদেহ যাদুকাটা নদীতে ভেসে ওঠে।স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা গেছে, এর আগেও একই ভাবে একজন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার পর এই যাদুকাটা নদীতে তার লাশ ভেসে উঠেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো কারণে তাকে হত্যা করে যাদুকাটা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম এই

যাদুকাটা নদীতে ভেসে উঠলো নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীতে সালাহ উদ্দিন (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ ভেসে উঠেছে। বুধবার সকালে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগড়া রহিছ মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন যাদুকাটা নদীতে এই ঘটনা ঘটে। মৃত সালাহ উদ্দিন কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার মৃত আলী আকবরের ছেলে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মিয়ারচর গ্রামে বসবাস করছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সালাহ উদ্দিন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের মিয়ারচর গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান তারা মিয়ার বাড়িতে পরিবার নিয়ে বাস করতেন। তিনি নিজের এবং তারা মিয়া চেয়ারম্যানের গৃহপালিত পশু মাঠে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যেতেন এবং সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরতেন। গত সোমবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে খুঁজে পাননি। আজ সকাল ৯টার দিকে তার মৃতদেহ যাদুকাটা নদীতে ভেসে ওঠে।

স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা গেছে, এর আগেও একই ভাবে একজন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার পর এই যাদুকাটা নদীতে তার লাশ ভেসে উঠেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো কারণে তাকে হত্যা করে যাদুকাটা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাস্থলে আছেন। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow