যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরও যেভাবে প্রাণে বাঁচলেন মোজতবা খামেনি
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গেছে। হামলার ঠিক কয়েক মিনিট আগে তিনি নিজের বাসভবনের ভেতর থেকে বের হয়ে বাগানে যাওয়ায় প্রাণে রক্ষা পান বলে এক ফাঁস হওয়া অডিওতে উঠে এসেছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের হাতে আসা ওই অডিওতে বলা হয়, রাজধানী তেহরানে অবস্থিত খামেনি পরিবারের কম্পাউন্ডে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে মোজতবা খামেনির বাবা ও ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিসহ দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হন।
ফাঁস হওয়া অডিও বার্তাটি মূলত খামেনির দপ্তরের প্রটোকল প্রধান মাজহার হোসেনির। এতে তিনি হামলার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। অডিওতে তিনি জানান, হামলার সময় মোজতবা খামেনি ঘরের বাইরে ‘কিছু কাজের জন্য’ বের হয়েছিলেন। ঠিক সেই সময়ই ভবনটিতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।
এই হামলায় খামেনির পায়ে সামান্য আঘাত লাগে। তবে তার স্ত্রী ও সন্তান ঘটনাস্থলেই নিহত হন বলে অডিওতে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া তার শ্যালকও নিহত হন এবং বিস্ফোরণের তীব্রতায় দেহ মাথা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
হাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গেছে। হামলার ঠিক কয়েক মিনিট আগে তিনি নিজের বাসভবনের ভেতর থেকে বের হয়ে বাগানে যাওয়ায় প্রাণে রক্ষা পান বলে এক ফাঁস হওয়া অডিওতে উঠে এসেছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের হাতে আসা ওই অডিওতে বলা হয়, রাজধানী তেহরানে অবস্থিত খামেনি পরিবারের কম্পাউন্ডে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে মোজতবা খামেনির বাবা ও ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিসহ দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হন।
ফাঁস হওয়া অডিও বার্তাটি মূলত খামেনির দপ্তরের প্রটোকল প্রধান মাজহার হোসেনির। এতে তিনি হামলার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। অডিওতে তিনি জানান, হামলার সময় মোজতবা খামেনি ঘরের বাইরে ‘কিছু কাজের জন্য’ বের হয়েছিলেন। ঠিক সেই সময়ই ভবনটিতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।
এই হামলায় খামেনির পায়ে সামান্য আঘাত লাগে। তবে তার স্ত্রী ও সন্তান ঘটনাস্থলেই নিহত হন বলে অডিওতে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া তার শ্যালকও নিহত হন এবং বিস্ফোরণের তীব্রতায় দেহ মাথা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
হামলায় ইরানের সামরিক দপ্তরের প্রধান মোহাম্মদ সিরাজিও নিহত হন। তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
অডিওতে আরও বলা হয়, খামেনি পরিবারের পুরো কম্পাউন্ডকে একযোগে লক্ষ্য করে একাধিক স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়, যেন পুরো নেতৃত্ব কাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া যায়।
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস প্রধান মোহাম্মদ পাকপৌর এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদাসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ওই হামলায় নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
হামলার পর থেকে মোজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তার শারীরিক অবস্থা নিয়েও বিভিন্ন মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তার বেঁচে থাকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।