যৌতুকবিরোধী বার্তা নিয়ে বইমেলায় অমর গোয়ালা

অমর একুশে বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশের প্রবেশ ফটকে দাঁড়িয়ে ‘যৌতুক ছাড়া পাত্র চাই’ লেখা একটি প্ল্যাকার্ড হাতে সচেতনতা ছড়াতে দেখা গেছে অমর গোয়ালা নামে এক ব্যক্তিকে। পাকা চুলের এই ব্যক্তি দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন। নিজেকে বাবা অনুকুল চন্দ্রের সৎসঙ্গের অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেওয়া অমর গোয়ালা সেখানে উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলছেন, ‌‘মেয়েদের বিয়ে দিতে গিয়ে যেন কেউ যৌতুক না দেন’। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘যৌতুক সমাজের জন্য একটি অভিশাপ। অনেক পরিবার এ কারণে নিঃস্ব হয়ে যায়। তাই আমি চাই, মানুষ সচেতন হোক এবং কেউ যেন মেয়েকে বিয়ে দিতে গিয়ে যৌতুক না দেন।’ বইমেলার মতো বড় সাংস্কৃতিক আয়োজনের ভিড়ের মধ্যেই এভাবে দাঁড়িয়ে যৌতুকবিরোধী সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন অমর গোয়ালা। তার এই উদ্যোগ মেলায় আসা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। বইমেলায় ঘুরতে আসা অনেক দর্শনার্থী তার এই ব্যতিক্রমী প্রচারণা দেখে থেমে যাচ্ছেন। কেউ তার সঙ্গে কথা বলছেন আবার কেউ তার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন। মেলায় ঘুরতে আসা অমিত রায় বলেন, ‘বইমেলায় এমন একটি সামাজিক বার্তা দেখে ভালো লাগছে। যৌতুকের বি

যৌতুকবিরোধী বার্তা নিয়ে বইমেলায় অমর গোয়ালা

অমর একুশে বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশের প্রবেশ ফটকে দাঁড়িয়ে ‘যৌতুক ছাড়া পাত্র চাই’ লেখা একটি প্ল্যাকার্ড হাতে সচেতনতা ছড়াতে দেখা গেছে অমর গোয়ালা নামে এক ব্যক্তিকে। পাকা চুলের এই ব্যক্তি দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন।

নিজেকে বাবা অনুকুল চন্দ্রের সৎসঙ্গের অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেওয়া অমর গোয়ালা সেখানে উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলছেন, ‌‘মেয়েদের বিয়ে দিতে গিয়ে যেন কেউ যৌতুক না দেন’।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘যৌতুক সমাজের জন্য একটি অভিশাপ। অনেক পরিবার এ কারণে নিঃস্ব হয়ে যায়। তাই আমি চাই, মানুষ সচেতন হোক এবং কেউ যেন মেয়েকে বিয়ে দিতে গিয়ে যৌতুক না দেন।’

বইমেলার মতো বড় সাংস্কৃতিক আয়োজনের ভিড়ের মধ্যেই এভাবে দাঁড়িয়ে যৌতুকবিরোধী সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন অমর গোয়ালা। তার এই উদ্যোগ মেলায় আসা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

বইমেলায় ঘুরতে আসা অনেক দর্শনার্থী তার এই ব্যতিক্রমী প্রচারণা দেখে থেমে যাচ্ছেন। কেউ তার সঙ্গে কথা বলছেন আবার কেউ তার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।

মেলায় ঘুরতে আসা অমিত রায় বলেন, ‘বইমেলায় এমন একটি সামাজিক বার্তা দেখে ভালো লাগছে। যৌতুকের বিরুদ্ধে সচেতনতা খুবই প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগ মানুষকে ভাবতে বাধ্য করবে।’

আরেক দর্শনার্থী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, ‘যৌতুকের কারণে এখনো অনেক মেয়েকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়। একজন মানুষ একা দাঁড়িয়ে এমন সচেতনতা তৈরি করছেন—এটা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

এমডিএএ/এসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow