যৌতুক না দেওয়ায় স্ত্রীর চুল কেটে নির্যাতন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। মারধরের পাশাপাশি তার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের রামধননগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিত মীম আক্তার ওই এলাকার জহিরুল ইসলামের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী দিনু মিয়া একই এলাকার ইছাক মিয়ার ছেলে। মীম আক্তার জানান, তার স্বামী ব্যবসার অজুহাতে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। নির্ধারিত সময়ে বাবার বাড়ি থেকে এনে দিতে না পারায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গাল ও হাতে আঘাত করে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে শাশুড়ির সহযোগিতায় তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত দিনু মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আখাউড়া থানার ওসি জাবেদ উল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। মারধরের পাশাপাশি তার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের রামধননগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিত মীম আক্তার ওই এলাকার জহিরুল ইসলামের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী দিনু মিয়া একই এলাকার ইছাক মিয়ার ছেলে।
মীম আক্তার জানান, তার স্বামী ব্যবসার অজুহাতে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। নির্ধারিত সময়ে বাবার বাড়ি থেকে এনে দিতে না পারায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গাল ও হাতে আঘাত করে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে শাশুড়ির সহযোগিতায় তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত দিনু মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আখাউড়া থানার ওসি জাবেদ উল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?