রংপুরে মহাসড়ক অবরোধ
রংপুরের তারাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী মঞ্জুরুল হোসেন হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ নতুন চৌপথি বাসস্ট্যান্ডে ঘণ্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর গ্রামের ফরিদ উদ্দিনের ছেলে মঞ্জুরুল হোসেন (৪৫) ২৪ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পাননি। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে তারাগঞ্জ থানায় জিডি করা হয়। গত বুধবার উপজেলার পার্শ্ববর্তী ঝাকুয়াপাড়া এলাকার স্থানীয়দের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, তামাক ক্ষেতে রক্ত এবং একটি জুতা পাওয়া গেছে। পরিবারের সদস্যরা সেটি মঞ্জুরুলের বলে শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ২৫-৩০ জন স্থানীয় বাসিন্দা ঝাকুয়াপাড়া এলাকায় লাশের খোঁজ শুরু করেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামপুরা মাজার সংলগ্ন একটি আলু উত্তোলন করা জমির কোণে মাটির নিচে চাপা অবস্থায় মঞ্জ
রংপুরের তারাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী মঞ্জুরুল হোসেন হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ নতুন চৌপথি বাসস্ট্যান্ডে ঘণ্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।
মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর গ্রামের ফরিদ উদ্দিনের ছেলে মঞ্জুরুল হোসেন (৪৫) ২৪ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পাননি। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে তারাগঞ্জ থানায় জিডি করা হয়। গত বুধবার উপজেলার পার্শ্ববর্তী ঝাকুয়াপাড়া এলাকার স্থানীয়দের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, তামাক ক্ষেতে রক্ত এবং একটি জুতা পাওয়া গেছে। পরিবারের সদস্যরা সেটি মঞ্জুরুলের বলে শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ২৫-৩০ জন স্থানীয় বাসিন্দা ঝাকুয়াপাড়া এলাকায় লাশের খোঁজ শুরু করেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামপুরা মাজার সংলগ্ন একটি আলু উত্তোলন করা জমির কোণে মাটির নিচে চাপা অবস্থায় মঞ্জুরুল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী জান্নাতী বেগম বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিন দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পরও পুলিশের তৎপরতা ছিল না। জিডির সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত হলে হয়ত এমন পরিণতি হতো না। এ হত্যাকাণ্ডেরে পেছনে পুলিশের অবহেলাকে দায়ী করা হয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, তিন সন্তান ও পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন মঞ্জুরুল। তার মতো একজন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে হবে।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, মঞ্জুরুল হোসেনের স্ত্রী হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। দ্রুত আসামি শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাব্বর হোসেন বলেন, সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সড়ক থেকে সরে গেছেন। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
What's Your Reaction?