রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শহীদ নুর হোসেন হল ও শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করেছে নুর হোসেন হলের শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ নুর হোসেন হলের ম্যানেজমেন্ট ২৩ ব্যাচের আল ফিমান নামের এক শিক্ষার্থীকে পূর্ব শত্রুতার জেড়ে হাবিপ্রবির স্কুল মাঠে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের ১৮-২০ জন শিক্ষার্থী এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর করে। এতে ঐ শিক্ষার্থীর মাথা ফেটে যায়।  পরে শহীদ নুর হোসেন হলের শিক্ষার্থীরা টিএসসি থেকে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের এক শিক্ষার্থীকে উঠিয়ে হলে তুলে নিয়ে যায়। এ খবর পেয়ে লাঠিসোটা নিয়ে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীরা নুর হোসেন হলে হামলা চালায়।  এ সময় তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র চাকু, এন্টিকাটার, রড, হকিস্টিক, লাঠি হাতে ছিল এবং তারা হেলমেট পরে সুসজ্জিত অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। দেখা যায়, শহীদ নুর হোসেন হল থেকে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাওয়ার সময় তারা লাঠি উঁচিয়ে তাজউদ্দীন হল, তাজ

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শহীদ নুর হোসেন হল ও শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করেছে নুর হোসেন হলের শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ নুর হোসেন হলের ম্যানেজমেন্ট ২৩ ব্যাচের আল ফিমান নামের এক শিক্ষার্থীকে পূর্ব শত্রুতার জেড়ে হাবিপ্রবির স্কুল মাঠে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের ১৮-২০ জন শিক্ষার্থী এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর করে। এতে ঐ শিক্ষার্থীর মাথা ফেটে যায়।  পরে শহীদ নুর হোসেন হলের শিক্ষার্থীরা টিএসসি থেকে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের এক শিক্ষার্থীকে উঠিয়ে হলে তুলে নিয়ে যায়। এ খবর পেয়ে লাঠিসোটা নিয়ে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীরা নুর হোসেন হলে হামলা চালায়।  এ সময় তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র চাকু, এন্টিকাটার, রড, হকিস্টিক, লাঠি হাতে ছিল এবং তারা হেলমেট পরে সুসজ্জিত অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। দেখা যায়, শহীদ নুর হোসেন হল থেকে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাওয়ার সময় তারা লাঠি উঁচিয়ে তাজউদ্দীন হল, তাজউদ্দীন হল স্লোগান দিতে থাকেন। জানা যায়, শহীদ নুর হোসেন হলের জানালার কাঁচ, ক্যারাম বোর্ড, বাইক ভেঙেছে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীরা। মারামারির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লান্ট প্যাথলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মবিনুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।  এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দিনাজপুর -রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করেছেন শহীদ নুর হোসেন হলের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা হামলার বিচার চেয়ে বলেন, শান্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে হামলাকারীরা অশান্ত করছে। আমাদের হলে ঐ হলের শিক্ষার্থীরা ঢুকে হামলা চালিয়ে মোবাইল, ল্যাপটপ চুরি করেছে।তারা বলেন, আমরা হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।এ সময় তারা ছাত্রলীগেরও বিচার দাবি করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. নওশের ওয়ান বলেন, যারা হামলা করেছে এবং ধ্বংস চালিয়েছে, তারা কঠিন শাস্তি পাবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে। যারা দোষী তাদের নিস্তার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে চাই। যেখানে সকলে সুন্দরভাবে বসবাস করবে এবং একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে। বিশ্ববিদ্যালয় সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কোনো জায়গা না।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow