রংপুর মেডিকেলে ‘হাম’ আক্রান্ত হয়ে আরও দুজন ভর্তি
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে হাম আক্রান্ত আরও দুজন শিশু ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে মোট চারজন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের আইসোলেশন কক্ষে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. আয়েশা সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভর্তি হওয়া শিশুদের বয়স নয় মাস থেকে দুই বছরের মধ্যে। তাদেরকে হামের জন্য ডেডিকেটেড আইসোলেশন কক্ষে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নতুন ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের আরাফাত (২) এবং রংপুর সদরের ভুরারঘাট এলাকার সায়েম (৯)। তাদের রোববার (২৯ মার্চ) রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাম আক্রান্ত দুই শিশুকে ৫-৬ দিন শিশু ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হলেও রোববার সকাল থেকে সতর্কতা হিসেবে আইসোলেশনে রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরে রাতে নতুন করে আরও দুজন শিশু ভর্তি হয়েছে। ঈদের সময় হাম আক্রান্ত আরও দুই শিশু ভর্তি হয়েছিল, তারা চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এর আগে গত এক সপ্তাহ থেকে ভর্তি রয়েছে দুই শিশু। চিকিৎসাধীন শিশুদের মধ্যে আমাতুল্লাহ জান্নাত (৮) ২৩ মার্চ ভর্তি হন। জ্
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে হাম আক্রান্ত আরও দুজন শিশু ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে মোট চারজন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের আইসোলেশন কক্ষে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. আয়েশা সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভর্তি হওয়া শিশুদের বয়স নয় মাস থেকে দুই বছরের মধ্যে। তাদেরকে হামের জন্য ডেডিকেটেড আইসোলেশন কক্ষে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নতুন ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের আরাফাত (২) এবং রংপুর সদরের ভুরারঘাট এলাকার সায়েম (৯)। তাদের রোববার (২৯ মার্চ) রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাম আক্রান্ত দুই শিশুকে ৫-৬ দিন শিশু ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হলেও রোববার সকাল থেকে সতর্কতা হিসেবে আইসোলেশনে রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরে রাতে নতুন করে আরও দুজন শিশু ভর্তি হয়েছে। ঈদের সময় হাম আক্রান্ত আরও দুই শিশু ভর্তি হয়েছিল, তারা চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
এর আগে গত এক সপ্তাহ থেকে ভর্তি রয়েছে দুই শিশু। চিকিৎসাধীন শিশুদের মধ্যে আমাতুল্লাহ জান্নাত (৮) ২৩ মার্চ ভর্তি হন। জ্বর ও র্যাশ দেখা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আরেক শিশু প্রজ্ঞা রায় (৭) একাধিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর পুনরায় অসুস্থ হয়ে ২৫ মার্চ রংপুর মেডিকেলে ভর্তি হন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শিশু ওয়ার্ডের ১০ নম্বর কক্ষসংলগ্ন একটি খেলার ঘরকে অস্থায়ী আইসোলেশন ওয়ার্ডে রূপান্তর করা হয়েছে। সেখানে শিশুদের মা-বাবার সঙ্গে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, হাম আক্রান্তদের চিকিৎসায় হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে। শিশুদের জন্য আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে বয়স্কদের জন্যও পৃথক ব্যবস্থার প্রস্তুতি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত রংপুর অঞ্চলে হাম পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
What's Your Reaction?