রণবীরই কেন ছিলেন ‘ধুরন্ধর’র প্রথম পছন্দ?

মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছে আদিত্য ধর পরিচালিত অ্যাকশন-স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’। দর্শকপ্রিয়তার পাশাপাশি আয়েও নতুন রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি। তবে এত বড় বাজেটের এই প্রকল্পে কেন কোনো তথাকথিত সুপারস্টারের পরিবর্তে রণবীর সিংকে প্রধান চরিত্রে নেওয়া হয়েছিল, সেই কারণ এবার প্রকাশ করলেন সিনেমাটির সহ-প্রযোজক এবং জিও স্টুডিওসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জ্যোতি দেশপাণ্ডে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জ্যোতি দেশপাণ্ডে জানান, শুরু থেকেই তারা এমন একজন অভিনেতার খোঁজ করছিলেন, যিনি শুধু জনপ্রিয় নন, বরং চরিত্রকে নিজের ভেতরে ধারণ করতে পারেন। সেই জায়গায় রণবীর সিং-ই ছিলেন তাদের প্রথম পছন্দ। জ্যোতি বলেন, ‘আমরা কোনো তথাকথিত সুপারস্টার চাইনি। আমাদের প্রয়োজন ছিল একজন প্রকৃত পারফর্মার। রণবীরের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, তিনি প্রতিটি চরিত্রের জন্য নিজেকে সম্পূর্ণ বদলে ফেলতে পারেন। তিনি পর্দায় আর রণবীর থাকেন না, চরিত্রই হয়ে ওঠেন।’ তার ভাষ্য, ‘ধুরন্ধর’ ছিল বড় বাজেটের একটি সিনেমা। যদি শুধু তারকাখ্যাতির কথা ভেবে অভিনেতা নির্বাচন করা হতো, তাহলে শুরু থেকেই বাজেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতো। তাই অভিনয় দক্ষতা, চর

রণবীরই কেন ছিলেন ‘ধুরন্ধর’র প্রথম পছন্দ?

মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছে আদিত্য ধর পরিচালিত অ্যাকশন-স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’। দর্শকপ্রিয়তার পাশাপাশি আয়েও নতুন রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি। তবে এত বড় বাজেটের এই প্রকল্পে কেন কোনো তথাকথিত সুপারস্টারের পরিবর্তে রণবীর সিংকে প্রধান চরিত্রে নেওয়া হয়েছিল, সেই কারণ এবার প্রকাশ করলেন সিনেমাটির সহ-প্রযোজক এবং জিও স্টুডিওসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জ্যোতি দেশপাণ্ডে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জ্যোতি দেশপাণ্ডে জানান, শুরু থেকেই তারা এমন একজন অভিনেতার খোঁজ করছিলেন, যিনি শুধু জনপ্রিয় নন, বরং চরিত্রকে নিজের ভেতরে ধারণ করতে পারেন। সেই জায়গায় রণবীর সিং-ই ছিলেন তাদের প্রথম পছন্দ।

জ্যোতি বলেন, ‘আমরা কোনো তথাকথিত সুপারস্টার চাইনি। আমাদের প্রয়োজন ছিল একজন প্রকৃত পারফর্মার। রণবীরের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, তিনি প্রতিটি চরিত্রের জন্য নিজেকে সম্পূর্ণ বদলে ফেলতে পারেন। তিনি পর্দায় আর রণবীর থাকেন না, চরিত্রই হয়ে ওঠেন।’

তার ভাষ্য, ‘ধুরন্ধর’ ছিল বড় বাজেটের একটি সিনেমা। যদি শুধু তারকাখ্যাতির কথা ভেবে অভিনেতা নির্বাচন করা হতো, তাহলে শুরু থেকেই বাজেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতো। তাই অভিনয় দক্ষতা, চরিত্রে নিজেকে মিশিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা এবং গল্পের প্রয়োজন-এই তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সিনেমাটিতে রণবীর সিং অভিনয় করেছেন ভারতীয় গুপ্তচর জসকিরাত সিং রাঙ্গি ওরফে হামজা আলি মাজরির চরিত্রে। গল্পে দেখা যায়, পাকিস্তানের করাচির লিয়ারি এলাকায় একটি সন্ত্রাসী চক্রে অনুপ্রবেশের জন্য তাকে গোপন মিশনে পাঠানো হয়। সেখানে বেলুচ গোষ্ঠীর আস্থা অর্জন করে জঙ্গি নেটওয়ার্ক ধ্বংসের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। রণবীরের এই অভিনয় সমালোচক ও দর্শক-উভয়েরই প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বক্স অফিসেও দারুণ সাফল্য পেয়েছে ‘ধুরন্ধর’। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি আয় করেছে ১ হাজার ৩০৭ কোটি রুপি। এরপর চলতি বছরের মার্চে মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর ২’ আরও বড় সাফল্য অর্জন করে। সিক্যুয়েলটি বিশ্বব্যাপী ১ হাজার ৭৯০ কোটি রুপি আয় করে নতুন এক মাইলফলক গড়েছে।

‘ধুরন্ধর’র সাফল্যের পর নির্মাতাদের এই মন্তব্য আবারও প্রমাণ করল, শুধু তারকাখ্যাতি নয়, একটি শক্তিশালী চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে অভিনয় দক্ষতাই সবচেয়ে বড় সম্পদ।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow