রাঙ্গামাটির বাজারে কাঁচা আমের কেজি ৪০০

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাজারে দেখা মিলেছে কাঁচা আম। দাম হাকা হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি। তবে আকার ভেদে কিছু আমের দাম খানিকটা কমেও বিক্রি হচ্ছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে জেলা শহরের বনরুপা বাজারে গিয়ে দেখা মেলে কাঁচা আম বিক্রির দৃশ্য। পাহাড়ি গ্রাম থেকে দেশি জাতের এসব কাঁচা আম সংগ্রহ করে শহরের বাজারে বিক্রি করেন গৃহস্থরা। মৌসুমের আগেই বাড়তি দামের আশায় এসব অপরিপক্ব আম বাজারে তুলেছেন বলে জানান বিক্রেতা মিন্টু চাকমা।সকাল ৭টার দিকে শহরের বনরূপা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাঁচজন বিক্রেতা ঝুড়িতে করে কাঁচা আম নিয়ে বসে আছেন। সকালবেলায় ক্রেতা তুলনামূলক কম থাকলেও তারা প্রতি কেজি কাঁচা আমের দাম ৪০০ টাকা করে চাইছেন। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে আরও কয়েকজন আম বিক্রেতা আসতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার প্রতি কেজি আমের দাম ২০০ টাকা করে চাইছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাঁচা আমের ক্রেতা একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, সিজনের আগেই কাঁচা আম খুব একটা পাওয়া যায় না। আজকের বাজারে পেয়ে গেলাম তাই দুই কেজি নিলাম ৪০০ টাকা দিয়ে। আসলে এতো দাম দিয়ে কেনা তো খুব জরুরি না তবে শখের কারণে কিনতে হলো। বিক্রেতা সবুজ চাকমা বলেন, আম

রাঙ্গামাটির বাজারে কাঁচা আমের কেজি ৪০০

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাজারে দেখা মিলেছে কাঁচা আম। দাম হাকা হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি। তবে আকার ভেদে কিছু আমের দাম খানিকটা কমেও বিক্রি হচ্ছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে জেলা শহরের বনরুপা বাজারে গিয়ে দেখা মেলে কাঁচা আম বিক্রির দৃশ্য।

পাহাড়ি গ্রাম থেকে দেশি জাতের এসব কাঁচা আম সংগ্রহ করে শহরের বাজারে বিক্রি করেন গৃহস্থরা। মৌসুমের আগেই বাড়তি দামের আশায় এসব অপরিপক্ব আম বাজারে তুলেছেন বলে জানান বিক্রেতা মিন্টু চাকমা।
সকাল ৭টার দিকে শহরের বনরূপা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাঁচজন বিক্রেতা ঝুড়িতে করে কাঁচা আম নিয়ে বসে আছেন। সকালবেলায় ক্রেতা তুলনামূলক কম থাকলেও তারা প্রতি কেজি কাঁচা আমের দাম ৪০০ টাকা করে চাইছেন। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে আরও কয়েকজন আম বিক্রেতা আসতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার প্রতি কেজি আমের দাম ২০০ টাকা করে চাইছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাঁচা আমের ক্রেতা একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, সিজনের আগেই কাঁচা আম খুব একটা পাওয়া যায় না। আজকের বাজারে পেয়ে গেলাম তাই দুই কেজি নিলাম ৪০০ টাকা দিয়ে। আসলে এতো দাম দিয়ে কেনা তো খুব জরুরি না তবে শখের কারণে কিনতে হলো।

বিক্রেতা সবুজ চাকমা বলেন, আম তো এখনো পরিপক্ব হয়নি। বেশিরভাগ গাছে মাত্র আমের গুটি আসতে শুরু করেছে। তবে দেশি জাতের কিছু গাছে কিছুটা আগাম আম আসতে শুরু করায় গৃহস্তরা কিছু লাভের আশায় বাজারে তুলেছেন। আমি তাদের থেকে কিনে এখানে বিক্রি করছি। সকালে ৪শ’ টাকা কেজি দাম চাইলেও ক্রেতা পাওয়া যায়নি। তবে সকাল ১০টা ২শ’ টাকা কেজি দামে বিক্রি করেছি।

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, দেশি জাতের বড় আম গাছে বালাইনাশক ঠিকমতো দেওয়া যায় না। ফলে দেশি আম পরিপক্ব হলে তাতে পোকা ধরতে শুরু করে। তখন এসব আমের আর বাজার মূল্য থাকে না। তাই কৃষক চেষ্টা করেন কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করে কিছুটা লাভবান হতে। যদিও এখনো আম মাত্র গুটি হতে শুরু করেছে। কিছু দেশি জাতে হয়তো আগাম ফলন আসতে শুরু করেছে। কাঁচা আম চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে সরবরাহ আরও বাড়বে।

আরমান খান/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow