রাজধানীতে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, প্রাণ গেল দোকান কর্মচারীর
রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক দোকান কর্মচারী প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে বাটা সিগন্যাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম মো. রনি (৩০)। তিনি জুতার দোকানে কাজ করতেন এবং কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। দুর্ঘটনার পর রনিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রনির সহকর্মী রাজু বলেন, ‘আমরা দুজনই বাটা সিগন্যাল মোড়ে একটি জুতার শোরুমে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করি। বিকেলে শোরুমের পাশের গাছ থেকে আম পাড়তে গিয়ে রনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে আমরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’ ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। কেএজেডআইএ/একিউএফ/জেআইএম
রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক দোকান কর্মচারী প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে বাটা সিগন্যাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম মো. রনি (৩০)। তিনি জুতার দোকানে কাজ করতেন এবং কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
দুর্ঘটনার পর রনিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রনির সহকর্মী রাজু বলেন, ‘আমরা দুজনই বাটা সিগন্যাল মোড়ে একটি জুতার শোরুমে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করি। বিকেলে শোরুমের পাশের গাছ থেকে আম পাড়তে গিয়ে রনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে আমরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
কেএজেডআইএ/একিউএফ/জেআইএম
What's Your Reaction?