রাবি উপাচার্য হিসেবে যোগদান করলেন ফরিদুল ইসলাম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২৬তম উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এর ধারা ১১ অনুযায়ী প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রজ্ঞাপন পাওয়ার পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে উপাচার্যের কক্ষে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর শহিদ শামসুজ্জোহার স্মৃতিস্তম্ভে, শহিদ মিনার ও বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেন তিনি। এ সময় তিনি জানান, যে গুরুদায়িত্ব তিনি পেয়েছেন তা সঠিকভাবে পালন করতে চান। শিক্ষার্থীদের যেসব চাহিদা, দাবি-দাওয়া আছে সেগুলো পূরণ করতে চান। তবে সেশনজট নিরসন, শিক্ষা, গবেষণা, স্বাস্থ্যের দিকে বেশি গুরুত্ব দিবেন বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত, ড. মো. ফরিদুল ইসলাম রাজশাহী বোর্ড থেকে ১৯৮৪ সালে এসএসসি ও ১৯৮৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে মার্কেটিং বিষয়ে বিকম (সম্মান) ও ১৯৯০ সালে এমবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। এমবিএস পরীক্ষায় অনুষদে প্রথম স্থান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২৬তম উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এর ধারা ১১ অনুযায়ী প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
প্রজ্ঞাপন পাওয়ার পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে উপাচার্যের কক্ষে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর শহিদ শামসুজ্জোহার স্মৃতিস্তম্ভে, শহিদ মিনার ও বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেন তিনি।
এ সময় তিনি জানান, যে গুরুদায়িত্ব তিনি পেয়েছেন তা সঠিকভাবে পালন করতে চান। শিক্ষার্থীদের যেসব চাহিদা, দাবি-দাওয়া আছে সেগুলো পূরণ করতে চান। তবে সেশনজট নিরসন, শিক্ষা, গবেষণা, স্বাস্থ্যের দিকে বেশি গুরুত্ব দিবেন বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ড. মো. ফরিদুল ইসলাম রাজশাহী বোর্ড থেকে ১৯৮৪ সালে এসএসসি ও ১৯৮৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে মার্কেটিং বিষয়ে বিকম (সম্মান) ও ১৯৯০ সালে এমবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। এমবিএস পরীক্ষায় অনুষদে প্রথম স্থান অধিকার করায় তিনি অগ্রণী ব্যাংক স্বর্ণপদকে ভূষিত হন।
তিনি সুইডিস সরকারের বৃত্তিতে ২০০৬ সালে গ্যোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ও ২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের বৃত্তিতে কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কমনওয়েথ বৃত্তি নিয়ে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট, আহমেদাবাদ থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটিং বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন ও ২০১৩ সালে প্রফেসর পদে উন্নীত হন।
এছাড়াও, তিনি অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ বছর এবং কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়ায় প্রায় ২ বছর পূর্ণকালীন শিক্ষকতা করেন। এছাড়া রাবি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ব্র্যাক বিজনেস স্কুলে ১১ বছর যাবত অ্যাডজাংক্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান ও গবেষণা করে আসছেন। অধ্যাপনায় যোগদানের আগে তিনি প্রায় দুই বছর একটি বেসরকারি ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার পদে চাকুরী করেন।
তিনি রাবি থেকে প্রকাশিত জার্নাল অব বিজনেস স্টাডিজ সম্পাদনা বোর্ডের প্রধান সম্পাদক এবং রাজশাহী ইউনিভার্সিটি জার্নাল অব সোশ্যাল সায়েন্স এন্ড বিজনেস স্টাডিজ সম্পাদনা বোর্ডের সদস্যের দায়িত্বও পালন করেন। তাঁর ৪০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশে প্রকাশিত হয়েছে।
এসময়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা: ফরিদ উদ্দীন খান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ইফতিখারুল আলম মাসউদসহ অনুষদ অধিকর্তা, বিভাগীয় সভাপতি ও অফিস প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?