রাশেদ খানকে চিড়িয়াখানায় ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের’ সঙ্গে রাখবো: এমপি হানাজালা
এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খানকে চিড়িয়াখানায় ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষের পাশে রাখার দাবি জানিয়েছেন মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা। আজ রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রাশেদ খানকে চিড়িয়াখানায় ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষের পাশে রাখা হোক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রোববার (২১ জুন) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে দেওয়া পোস্টে পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা লেখেন, ‘রাশেদ খান আমাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে নিতে চায়। আমি তো যাবই, তবে থাকবো বাঘের সাথে— বাঘ অন্তত নিজের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত না!’
তিনি আরও লেখেন, ‘আর রাশেদ খানকে রেখে আসবো ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের এক গরুর (মহিষ) পাশে। দেখি দুজন মিলে কতক্ষণ গল্প করতে পারে! চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষকে শুধু একটা অনুরোধ— গরুটা (মহিষ) যেন পরে নাম পরিবর্তনের আবেদন না করে।’
এর আগে, শনিবার (২০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিড়িয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে! আজকে একজন বিএনপি নেতার সাথে তার যে আচরণ দেখলাম, সত্যিই লজ্জা লাগছে, এসব ম্যান
এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খানকে চিড়িয়াখানায় ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষের পাশে রাখার দাবি জানিয়েছেন মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা। আজ রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রাশেদ খানকে চিড়িয়াখানায় ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষের পাশে রাখা হোক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রোববার (২১ জুন) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে দেওয়া পোস্টে পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা লেখেন, ‘রাশেদ খান আমাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে নিতে চায়। আমি তো যাবই, তবে থাকবো বাঘের সাথে— বাঘ অন্তত নিজের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত না!’
তিনি আরও লেখেন, ‘আর রাশেদ খানকে রেখে আসবো ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের এক গরুর (মহিষ) পাশে। দেখি দুজন মিলে কতক্ষণ গল্প করতে পারে! চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষকে শুধু একটা অনুরোধ— গরুটা (মহিষ) যেন পরে নাম পরিবর্তনের আবেদন না করে।’
এর আগে, শনিবার (২০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিড়িয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে! আজকে একজন বিএনপি নেতার সাথে তার যে আচরণ দেখলাম, সত্যিই লজ্জা লাগছে, এসব ম্যানারলেস লোকজন কিভাবে এমপি হলো?
তিনি বলেন, এর আগে বিএনপিকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলো আমি হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে বিএনপি এই দেশে থাকতে পারবে না। আওয়ামী আমলে এদের এসব গর্জন তো দেখিনি। এরা তখন কোথায় ছিলো? আজকাল এসব লোকদের এতো বেশি ঔদ্ধত্য যে, সরকারি দলের লোকজনকে এরা আওয়ামী জামানার বিরোধীদলের মত ট্রিট করে।
সবশেষ তিনি লেখেন, হানজালাদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে ওরাই ক্ষমতায় আর বিএনপি বিরোধীদলে। বিএনপির দুর্ভাগ্য যে, এদের হজম করা লাগছে। রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট না থাকলে আমি নিশ্চিত ঐ বিএনপি নেতা এমপি নামক অদ্ভুত প্রাণীটাকে কানের নীচে দুই পাঁচটা লাগিয়ে দিতো।
উল্লেখ্য, শনিবার (২০ জুন) দুপুর থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালিশ বৈঠকের একপর্যায়ে সংসদ সদস্য হানজালা উত্তেজিত হয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলছেন।
এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ একপর্যায়ে টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, ‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দিবো।’