রাসায়নিক ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল কোমল পানীয়
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কারখানায় গোপনে অবৈধ উপায়ে রাসায়নিক ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল নকল ড্রিঙ্কো কোমল পানীয়। যা তৈরির পর সরবরাহ করা হচ্ছিল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভেজাল পণ্য তৈরির এই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পৌর শহরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়কে অবস্থিত একটি ভবনে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। এসময় ভেজাল পণ্যের বোতল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানীয় উৎপাদনের কাঁচামাল ও প্রস্তুত করণের সরঞ্জামসহ কারখানার মালিক মাসুদ শিকদারকে আটক করা হয়। পরে তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভেজাল ভর্তি ড্রিঙ্কোর প্রায় সাড়ে তিন হাজার বোতল জব্দ করে তা ধংস করা হয় এবং কারখানাটি অবৈধ ঘোষণা করে সিলগালা করা হয়। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার কালবেলাকে বলেন, এই ধরনের জুস মূলত শিশুরাই বেশি খেয়ে থাকে। অনুমোদনহীন রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে এসব পানীয় শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে কিডনি, লিভা
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কারখানায় গোপনে অবৈধ উপায়ে রাসায়নিক ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল নকল ড্রিঙ্কো কোমল পানীয়। যা তৈরির পর সরবরাহ করা হচ্ছিল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভেজাল পণ্য তৈরির এই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পৌর শহরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়কে অবস্থিত একটি ভবনে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। এসময় ভেজাল পণ্যের বোতল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানীয় উৎপাদনের কাঁচামাল ও প্রস্তুত করণের সরঞ্জামসহ কারখানার মালিক মাসুদ শিকদারকে আটক করা হয়।
পরে তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভেজাল ভর্তি ড্রিঙ্কোর প্রায় সাড়ে তিন হাজার বোতল জব্দ করে তা ধংস করা হয় এবং কারখানাটি অবৈধ ঘোষণা করে সিলগালা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার কালবেলাকে বলেন, এই ধরনের জুস মূলত শিশুরাই বেশি খেয়ে থাকে। অনুমোদনহীন রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে এসব পানীয় শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে কিডনি, লিভারসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অভিযানে কোনো ধরনের লাইসেন্স বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে জুস উৎপাদনের সত্যতা পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভ ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানও ছিল অনুমোদনহীন। তাই সিলগালাসহ কারখানা মালিককে জেল, জরিমানা করা হয়েছে।
What's Your Reaction?