রুটিনের আগেই ব্যবহারিক পরীক্ষা, বিপাকে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা
শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত সময়সূচি অমান্য করে আগেই ব্যবহারিক (প্র্যাক্টিক্যাল) পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জেএমজি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে। পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ পরীক্ষা নেওয়ায় বিপাকে পড়েছে পরীক্ষার্থীরা। বোর্ডের নিয়ম লঙ্ঘন করে পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে ফেলার পেছনের কারণ খুঁজে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের। বুধবার (৩ জুন) সকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের ব্যবহারিক (প্র্যাক্টিক্যাল) পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। অথচ যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৭ জুন থেকে ১৪ জুনের মধ্যে একযোগে এসএসসির ব্যাবহারিক পরীক্ষা হওয়ার কথা। ওই কেন্দ্রের বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থী আরাফাত হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বোর্ডের রুটিন দেখে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম যে ৭ তারিখ থেকে আমাদের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা হবে। সে অনুযায়ী খাতা তৈরি ও রিভিশন দিচ্ছি। কিন্তু হঠাৎ পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়েছে।’ বোর্ডের রুটিন অমান্য করে পরীক্ষা নেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক
শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত সময়সূচি অমান্য করে আগেই ব্যবহারিক (প্র্যাক্টিক্যাল) পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জেএমজি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে। পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ পরীক্ষা নেওয়ায় বিপাকে পড়েছে পরীক্ষার্থীরা। বোর্ডের নিয়ম লঙ্ঘন করে পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে ফেলার পেছনের কারণ খুঁজে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।
বুধবার (৩ জুন) সকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের ব্যবহারিক (প্র্যাক্টিক্যাল) পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। অথচ যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৭ জুন থেকে ১৪ জুনের মধ্যে একযোগে এসএসসির ব্যাবহারিক পরীক্ষা হওয়ার কথা।
ওই কেন্দ্রের বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থী আরাফাত হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বোর্ডের রুটিন দেখে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম যে ৭ তারিখ থেকে আমাদের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা হবে। সে অনুযায়ী খাতা তৈরি ও রিভিশন দিচ্ছি। কিন্তু হঠাৎ পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়েছে।’
বোর্ডের রুটিন অমান্য করে পরীক্ষা নেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রের এক শিক্ষক বলেন, শিক্ষা বোর্ডের একটা সুনির্দিষ্ট নিয়ম থাকে। বোর্ড থেকে যে তারিখ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, তার বাইরে গিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু এখানে কোনো নিয়ম মানছে না।
কেন্দ্র সচিব ও উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার সোহেল রানা আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, ‘কেন্দ্র সচিব চাইলে তার সুবিধামতো সময়ে আগে পরীক্ষা নিতে পারেন। আমরা ৩ ও ৪ জুন (বুধ ও বৃহস্পতিবার) পরীক্ষা নিই। এরপর আবার বোর্ডের দেওয়া নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে।’
তবে বোর্ডের নির্দেশনার বাইরে একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো আইনগত এখতিয়ার আছে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (একাডেমিক সুপারভাইজার) কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বোর্ডের নির্দেশনা অমান্য করে নির্ধারিত তারিখের আগে ব্যাবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভাপতি অনিন্দ্য গুহ বলেন, শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা ও নির্ধারিত রুটিন অমান্য করে আগে পরীক্ষা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আল-মামুন সাগর/এফএ/এমএস
What's Your Reaction?