রোজার নিয়ত আরবি-বাংলা উচ্চারণসহ

নিয়ত আরবি শব্দ। এর অর্থ মনে মনে কোনো কাজের সুদৃঢ় ইচ্ছা করা। ইসলামে নিয়ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কাজ বা ইবাদত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হলে তা সঠিক নিয়তের সঙ্গে করতে হয়। নিয়ত ছাড়া কোনো ইবাদত পূর্ণাঙ্গ হয় না, কারণ ইবাদতের মূল শর্তই হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ইচ্ছা। হাদিসে শরিফে হজরত আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস আল-লায়সী (রহ.) জানান, হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলেছেন, ‘আমি নবীজিকে (সা.) বলতে শুনেছি, কাজ এর প্রাপ্য হবে নিয়্যাত অনুযায়ী। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে ইহকাল লাভের অথবা কোনো নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশে, তবে তার হিজরত সে উদ্দেশেই হবে, যে জন্যে, সে হিজরত করেছে ‘ (বোখারি: ০১) সিলেটের চিকনাগুল (আজিজিয়া) মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা কয়েছ আহমদ বলেন, উল্লিখিত হাদিসটি স্পষ্ট করে দেয় যে, কোনো কাজ বা আমল করার পেছনে নিয়ত যদি সৎ না হয়, তবে সেই আমল মহান আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি বলেন, ইসলামি শরিয়তে রমজানের রোজা শুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত করা করা ফরজ। হ্যাঁ, নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা জরুরী নয়, তবে উত্তম। আমাদের দেশে রোজার একটি আর

রোজার নিয়ত আরবি-বাংলা উচ্চারণসহ

নিয়ত আরবি শব্দ। এর অর্থ মনে মনে কোনো কাজের সুদৃঢ় ইচ্ছা করা। ইসলামে নিয়ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কাজ বা ইবাদত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হলে তা সঠিক নিয়তের সঙ্গে করতে হয়। নিয়ত ছাড়া কোনো ইবাদত পূর্ণাঙ্গ হয় না, কারণ ইবাদতের মূল শর্তই হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ইচ্ছা।

হাদিসে শরিফে হজরত আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস আল-লায়সী (রহ.) জানান, হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলেছেন, ‘আমি নবীজিকে (সা.) বলতে শুনেছি, কাজ এর প্রাপ্য হবে নিয়্যাত অনুযায়ী। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে ইহকাল লাভের অথবা কোনো নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশে, তবে তার হিজরত সে উদ্দেশেই হবে, যে জন্যে, সে হিজরত করেছে ‘ (বোখারি: ০১)

সিলেটের চিকনাগুল (আজিজিয়া) মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা কয়েছ আহমদ বলেন, উল্লিখিত হাদিসটি স্পষ্ট করে দেয় যে, কোনো কাজ বা আমল করার পেছনে নিয়ত যদি সৎ না হয়, তবে সেই আমল মহান আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।

তিনি বলেন, ইসলামি শরিয়তে রমজানের রোজা শুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত করা করা ফরজ। হ্যাঁ, নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা জরুরী নয়, তবে উত্তম। আমাদের দেশে রোজার একটি আরবি নিয়ত প্রসিদ্ধ— যেটা মানুষ মুখে পড়ে থাকেন। তবে এটি সরাসরি কোনো হাদিসে বর্ণিত হয়নি। কেউ চাইলে পড়তে পারেন (জেনে রাখা উচিত যে, নিয়ত পড়ার চেয়ে নিয়ত করা গুরুত্বপূর্ণ)।

প্রচলিত আরবি নিয়ত

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

বাংলা উচ্চারণ : নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমজানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নাকা আনতাস সামিউল আলিম।

অর্থ : হে আল্লাহ, আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোজা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল করো, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow