শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে তাক করা আছে ক্ষেপণাস্ত্র: আইআরজিসি কমান্ডার

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি বলেছেন, বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন এরই মধ্যে শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে তাক করা হয়েছে এবং হামলার নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে। এক বার্তায় তিনি বলেন, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো অঞ্চলে থাকা মার্কিন লক্ষ্যবস্তু এবং আগ্রাসী শত্রুর জাহাজগুলোর ওপর তাক করা আছে। তিনি আরও বলেন, আমরা কেবল হামলার নির্দেশের অপেক্ষায় আছি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে। ওই হামলায় ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি এবং দেশটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন বলে ইরান দাবি করে। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কয়েক সপ্তাহ ধরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চল এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয় বলে তেহরানের দাবি। ইরান জানিয়েছে, ৪০ দিনের মধ্যে ১০০ দফা পাল্টা হামলায় তারা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা ই

শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে তাক করা আছে ক্ষেপণাস্ত্র: আইআরজিসি কমান্ডার

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি বলেছেন, বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন এরই মধ্যে শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে তাক করা হয়েছে এবং হামলার নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে।

এক বার্তায় তিনি বলেন, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো অঞ্চলে থাকা মার্কিন লক্ষ্যবস্তু এবং আগ্রাসী শত্রুর জাহাজগুলোর ওপর তাক করা আছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা কেবল হামলার নির্দেশের অপেক্ষায় আছি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে। ওই হামলায় ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি এবং দেশটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন বলে ইরান দাবি করে।

এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কয়েক সপ্তাহ ধরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চল এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয় বলে তেহরানের দাবি। ইরান জানিয়েছে, ৪০ দিনের মধ্যে ১০০ দফা পাল্টা হামলায় তারা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে।

পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা ইসলামাবাদে আলোচনার পথ তৈরি করে। ওই আলোচনায় ইরান ১০ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করে, যার মধ্যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ও ছিল।

তবে ইরান স্পষ্ট করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না হলে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনায় ফেরার কোনো সুযোগ নেই। তেহরানের দাবি, চলমান অবরোধ যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করছে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow