শরীয়তপুরে জ্বালানি সংকট রোধে অ্যাপভিত্তিক নতুন উদ্যোগ
শরীয়তপুরে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বিশেষ একটি অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য পূরণ ছাড়া এখন আর পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। এতে দিনে একবারের বেশি তেল নিতে গেলে অ্যাপ থেকেই মিলছে সতর্কবার্তা। ফলে একাধিক পাম্প ঘুরে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ ও মজুতের সুযোগ কমে এসেছে। জেলা প্রশাসন ও ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলায় মোট ছয়টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। প্রতিদিন এসব স্টেশনে প্রায় ৪০ হাজার লিটার ডিজেল, ১৫ হাজার লিটার পেট্রোল এবং ১২ হাজার লিটার অকটেনের চাহিদা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবে সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কিছু অসাধু চক্র বিভিন্ন পাম্প থেকে ঘুরে ঘুরে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে মজুদ করতে শুরু করে। এতে প্রকৃত গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়েন এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন চালু করেছে একটি বিশেষ অ্যাপভিত্তিক পদ্ধতি। পাম্পে তেল নিতে গেলে গ্রাহককে অ্যাপের মাধ্যমে পাম্পের নাম, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, জ্বালানির ধরন ও পরিমাণ উল্লেখ করে ফরম পূরণ করতে হচ্ছে। এ তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেলার সব পাম্পে পৌঁছে যাচ্ছ
শরীয়তপুরে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বিশেষ একটি অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য পূরণ ছাড়া এখন আর পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। এতে দিনে একবারের বেশি তেল নিতে গেলে অ্যাপ থেকেই মিলছে সতর্কবার্তা। ফলে একাধিক পাম্প ঘুরে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ ও মজুতের সুযোগ কমে এসেছে।
জেলা প্রশাসন ও ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলায় মোট ছয়টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। প্রতিদিন এসব স্টেশনে প্রায় ৪০ হাজার লিটার ডিজেল, ১৫ হাজার লিটার পেট্রোল এবং ১২ হাজার লিটার অকটেনের চাহিদা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবে সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কিছু অসাধু চক্র বিভিন্ন পাম্প থেকে ঘুরে ঘুরে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে মজুদ করতে শুরু করে। এতে প্রকৃত গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়েন এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়।
এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন চালু করেছে একটি বিশেষ অ্যাপভিত্তিক পদ্ধতি। পাম্পে তেল নিতে গেলে গ্রাহককে অ্যাপের মাধ্যমে পাম্পের নাম, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, জ্বালানির ধরন ও পরিমাণ উল্লেখ করে ফরম পূরণ করতে হচ্ছে। এ তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেলার সব পাম্পে পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে একজন বাইকার দিনে একটি পাম্প থেকে মাত্র একবার তেল নিতে পারছেন। অন্য পাম্পে গিয়ে পুনরায় তেল নিতে চাইলে অ্যাপ থেকেই সতর্কবার্তা দেখানো হচ্ছে।
স্থানীয় হোম ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান ‘কি লাগবে শরীয়তপুর’র ডেলিভারিম্যান ইব্রাহিম বলেন, আগে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল নিয়ে রাখতো। এতে আমরা যারা নিয়মিত কাজ করি, তারা ঠিকমতো তেল পেতাম না। এখন অ্যাপের কারণে দিনে একবারই তেল পাওয়া যাচ্ছে, এতে স্বস্তি এসেছে।
আরেক বাইকার সাদমান রাদ বলেন, একজন বাইকারের দিনে একবার তেল নিলেই চলে যায়। কেউ একাধিকবার নিলে অন্যরা বঞ্চিত হয়। অ্যাপের এই ব্যবস্থা ভালো উদ্যোগ।
ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরাও উদ্যোগটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। শহরের একটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, অ্যাপ চালুর পর পাম্পে বিশৃঙ্খলা ও অতিরিক্ত চাপ কমেছে। এতে প্রকৃত গ্রাহকরা সহজে তেল পাচ্ছেন।
জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি একাধিক পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে মজুদ করছিলেন। এতে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছিল। এই সমস্যা সমাধানে আমরা একটি অ্যাপ চালু করেছি। এখন একজন গ্রাহক দিনে একবারের বেশি তেল নিতে পারছেন না। পুরো বিষয়টি নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট কমবে এবং সাধারণ ভোক্তারা স্বস্তি পাবেন।
What's Your Reaction?