শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের খাবার নিয়ে মন্তব্যের জেরে দুই ছাত্রদল নেতা কর্তৃক খাইরুল খন্দকার নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল ও তিন দফা দাবি তুলে ধরেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দাবি না মানা হলে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর ১টায় নতুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন থেকে মিছিল বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাস ঘুরে গোলচত্বর সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিল চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা ‘আমার ভাইয়ের উপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘খাইরুল আহত কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা হুঁশিয়ার সাবধান’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ১. হামলার সাথে যারা জড়িত তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। ২. শাহপরান আবাসিক হলের প্রভোস্টকে পদত্যাগ করতে হবে ও তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৩. আহত শিক্ষার্থ
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের খাবার নিয়ে মন্তব্যের জেরে দুই ছাত্রদল নেতা কর্তৃক খাইরুল খন্দকার নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল ও তিন দফা দাবি তুলে ধরেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দাবি না মানা হলে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর ১টায় নতুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন থেকে মিছিল বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাস ঘুরে গোলচত্বর সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিল চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা ‘আমার ভাইয়ের উপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘খাইরুল আহত কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা হুঁশিয়ার সাবধান’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ১. হামলার সাথে যারা জড়িত তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। ২. শাহপরান আবাসিক হলের প্রভোস্টকে পদত্যাগ করতে হবে ও তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৩. আহত শিক্ষার্থীসহ শাবিপ্রবির সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
বিক্ষোভ শেষে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আমির হোসেন বলেন, ‘পূর্বে আবাসিক হল কেন্দ্রিক কোনো সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ ওই শিক্ষার্থীকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করত। আমরা একই চিত্র আবার লক্ষ্য করছি। আমাদের বিভাগের জুনিয়র যখন হলের সমস্যা নিয়ে প্রশাসনকে প্রশ্ন করেছে, তখন ছাত্রদলের দুই নেতা তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করে এবং গতকাল রাতে মারধর করে। চব্বিশের পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনা নিন্দনীয়। আশা করছি, তদন্ত কমিটি যেন অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনে।’
বিভাগের অন্য শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘গতকাল উপাচার্য স্যারের সাথে দেখা করার পর আমরা তদন্তের জন্য তিনদিনের সময় মেনে নিয়েছিলাম। তবে প্রশাসন যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে তার নিন্দা জানাচ্ছি। তদন্তে আছে, দুইটি দলের মুখোমুখি মারামারি না হলে কখনো সংঘর্ষ হতে পারে না। অথচ অন্যায়ভাবে একজন শিক্ষার্থীকে মারা হয়েছে, সেখানে তদন্ত কমিটিতে এ ধরনের ভাষা ব্যবহারের অর্থ হচ্ছে মরদেহ খুনিকে মেরেছে। এই তদন্ত কমিটি নিয়ে আমাদের সংশয়ের জায়গা তৈরি হয়েছে। আমরা তদন্ত কমিটির ভাষা সংশোধন করে পুনরায় বিবৃতি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। দাবি না মানলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো।’
প্রসঙ্গত, শাহপরান হলের খাবারের মান নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মন্তব্যের জেরে শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় দুই ছাত্রদল নেতার কর্তৃক মারধরের শিকার হন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের (২০২৩-২৪) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকার। অভিযুক্তরা হলেন শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ সম্পাদক হাসিবুর রহমান ও সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান। তারা সবাই শাহপরান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
এসএইচ জাহিদ/কেজে/এএসএম
What's Your Reaction?