শাহ সুলতান বলখীর মাজারের দানবাক্সে মিললো সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা
বগুড়ার মহাস্থানগড়ে হযরত শাহ সুলতান বলখীর (রহ.) মাজারের ১৫টি দানবাক্সে পাওয়া গেছে সাড়ে ৩৪ লাখ টাকাসহ কিছু স্বর্ণালংকার ও আটটি বিদেশি মুদ্রা। গত দুদিন গণনা শেষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে মাজার কমিটির সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল করিম এ তথ্য জানান। মহাস্থান মাজার কমিটি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হযরত শাহ সুলতান বলখী মাহিসওয়ারের (রহ.) মাজারে মোট ১৫টি দানবাক্স (সিন্দুক) রয়েছে। যেখানে বার্ষিক উরস ও দেশ-বিদেশের ভক্তরা এসব সিন্দুকে স্বেচ্ছায় দান করে থাকেন। তিন-চার মাস পরপর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২ জুন) প্রশাসনের কর্মকর্তা ও মাজার কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে মাজারের ১৫টি লোহার সিন্দুক খোলা হয়। সিন্দুকগুলোতে পাওয়া যায় ভক্তদের দান করা বিপুল পরিমাণ টাকা, বিদেশি মুদ্রা ও কিছু স্বর্ণালংকার। পরে স্থানীয় অগ্রণী ব্যাংকের ১৫ জন কর্মকর্তা, মাজার কমিটির সদস্য এবং মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন গণনায়। মাজার কমিটির সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল করিম বলেন, ‘হযরত শাহ সুলতান বলখীর মাজারে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজারও ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন। তারা গভীর ভক্তি ও বিশ্বা
বগুড়ার মহাস্থানগড়ে হযরত শাহ সুলতান বলখীর (রহ.) মাজারের ১৫টি দানবাক্সে পাওয়া গেছে সাড়ে ৩৪ লাখ টাকাসহ কিছু স্বর্ণালংকার ও আটটি বিদেশি মুদ্রা।
গত দুদিন গণনা শেষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে মাজার কমিটির সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল করিম এ তথ্য জানান।
মহাস্থান মাজার কমিটি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হযরত শাহ সুলতান বলখী মাহিসওয়ারের (রহ.) মাজারে মোট ১৫টি দানবাক্স (সিন্দুক) রয়েছে। যেখানে বার্ষিক উরস ও দেশ-বিদেশের ভক্তরা এসব সিন্দুকে স্বেচ্ছায় দান করে থাকেন। তিন-চার মাস পরপর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২ জুন) প্রশাসনের কর্মকর্তা ও মাজার কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে মাজারের ১৫টি লোহার সিন্দুক খোলা হয়।
সিন্দুকগুলোতে পাওয়া যায় ভক্তদের দান করা বিপুল পরিমাণ টাকা, বিদেশি মুদ্রা ও কিছু স্বর্ণালংকার। পরে স্থানীয় অগ্রণী ব্যাংকের ১৫ জন কর্মকর্তা, মাজার কমিটির সদস্য এবং মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন গণনায়।
মাজার কমিটির সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল করিম বলেন, ‘হযরত শাহ সুলতান বলখীর মাজারে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজারও ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন। তারা গভীর ভক্তি ও বিশ্বাস নিয়ে এখানে দান করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দানবাক্সের অর্থ মাজারের উন্নয়ন, এতিমখানা পরিচালনা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন এবং স্থানীয় দরিদ্রদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়। এবার ১৫টি দানবাক্স খুলে মোট ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া আনুমানিক ৬-৭ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার ও আটটি বিদেশি মুদ্রা পাওয়া গেছে।
এলবি/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?