শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বরদাশত করা হবে না: জাগো নিউজকে শিক্ষামন্ত্রী
দিনভর একের পর এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী মোবাইল ফোনে জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঘটনাগুলো সম্পর্কে আমরা অবগত। পড়ালেখা বাদ দিয়ে যে বা যারা এসব ঘটনায় জড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা রয়েছে। আমরা শিক্ষাঙ্গনে কোনো সন্ত্রাস বরদাশত করবো না। কেউ উসকানি দিলে তাদেরও শাস্তির আওতায় আনা হবে।’ আরও পড়ুন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় / ক্যাম্পাস থেকে হাসপাতাল, দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৫০ জনের বেশি জানা যায়, গত তিনদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্তত পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। লাঠিসোঁটা, রডসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছেন তারা। এসব ঘটনার রেশ দেশের অন্য ক্যাম্পাসগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যে কোনো সময় অন্য ক্যাম্পাসগুলোতেও সংঘর্ষে জড়াতে প
দিনভর একের পর এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী মোবাইল ফোনে জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঘটনাগুলো সম্পর্কে আমরা অবগত। পড়ালেখা বাদ দিয়ে যে বা যারা এসব ঘটনায় জড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা রয়েছে। আমরা শিক্ষাঙ্গনে কোনো সন্ত্রাস বরদাশত করবো না। কেউ উসকানি দিলে তাদেরও শাস্তির আওতায় আনা হবে।’
জানা যায়, গত তিনদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্তত পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। লাঠিসোঁটা, রডসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছেন তারা।
এসব ঘটনার রেশ দেশের অন্য ক্যাম্পাসগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যে কোনো সময় অন্য ক্যাম্পাসগুলোতেও সংঘর্ষে জড়াতে পারে ছাত্রদল-শিবির নেতাকর্মীরা। এমনকি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এএএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?
