শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে মুখরিত বিএফডিসি
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনকে ঘিরে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে। আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, সমর্থকদের উপস্থিতি এবং নানা ধরনের প্রচারণায় জমে উঠেছে এফডিসির পরিবেশ। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল অংশ নিচ্ছে। একটি প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন সভাপতি পদপ্রার্থী শিবা শানু ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী জয় চৌধুরী। অন্য প্যানেলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি পদে আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। পাশাপাশি বিভিন্ন পদে লড়াইয়ের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নাম লিখিয়েছেন একাধিক শিল্পী। নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী শনিবার প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এরপর শিবা শানু-জয় চৌধুরী পরিষদের সদস্যরা এফডিসিতে শোভাযাত্রা বের করেন এবং সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের প্যানেলের প্রার্থীদের পরিচয় তুলে ধরেন। এ প্যানেলে রয়েছেন রোজিনা, আলীরাজ, সুব্রত, ডি এ তায়েব, পলি, কায়েস আরজু, শিরিন শিলা, জলি রহমান, কাবিলা ও জাদু আজাদসহ মোট ২১ জন শিল্পী। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়া অন্য পদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনকে ঘিরে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে। আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, সমর্থকদের উপস্থিতি এবং নানা ধরনের প্রচারণায় জমে উঠেছে এফডিসির পরিবেশ।
এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল অংশ নিচ্ছে। একটি প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন সভাপতি পদপ্রার্থী শিবা শানু ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী জয় চৌধুরী। অন্য প্যানেলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি পদে আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। পাশাপাশি বিভিন্ন পদে লড়াইয়ের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নাম লিখিয়েছেন একাধিক শিল্পী।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী শনিবার প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এরপর শিবা শানু-জয় চৌধুরী পরিষদের সদস্যরা এফডিসিতে শোভাযাত্রা বের করেন এবং সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের প্যানেলের প্রার্থীদের পরিচয় তুলে ধরেন। এ প্যানেলে রয়েছেন রোজিনা, আলীরাজ, সুব্রত, ডি এ তায়েব, পলি, কায়েস আরজু, শিরিন শিলা, জলি রহমান, কাবিলা ও জাদু আজাদসহ মোট ২১ জন শিল্পী।
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়া অন্য পদে কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরে শিবা শানু বলেন, চলচ্চিত্র অঙ্গন বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে এবং রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে শিল্পীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংকট নিরসনে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান। তার ভাষায়, প্রতিশ্রুতির চেয়ে কাজই হবে তাদের প্রধান অঙ্গীকার। অভিজ্ঞ ও তরুণ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত এই প্যানেল শিল্পীদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী জয় চৌধুরী বলেন, গত আট বছর ধরে শিল্পীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তিনি এবং সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান। শিল্পীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় তাদের প্যানেলের সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, আরমান-মুক্তি প্যানেলও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। যদিও তাদের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। শুরুতে রুমানা ইসলাম মুক্তির সঙ্গে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল অভিনেতা বাপ্পারাজের। কিন্তু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। পরে সভাপতি পদে আরমানের নাম ঘোষণা করা হয়।
এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না বর্তমান কমিটির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। গত কমিটির মেয়াদকালে ডিপজলের উপস্থিতি ছিল খুবই সীমিত। সমিতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও তাকে খুব একটা দেখা যায়নি। একইভাবে সভাপতি মিশা সওদাগরও দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থান করায় সমিতির কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন না।
শিল্পী সমিতির মোট সদস্য সংখ্যা ৬১০ হলেও ভোটার তালিকায় রয়েছেন ৫৭৩ জন সদস্য। আগামী ২২ জুন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ২৩ জুন হবে বাছাই কার্যক্রম এবং প্রকাশ করা হবে খসড়া প্রার্থী তালিকা। আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত রয়েছে ২৪ জুন, আর ২৫ জুন পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে। সব প্রক্রিয়া শেষে ৩ জুলাই ভোটের মাধ্যমে গঠিত হবে নতুন নির্বাহী কমিটি।
এমআই/এলআইএ
What's Your Reaction?