শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে নরওয়ে

শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদারে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে নরওয়ে। দেশটি ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকার। এক বিবৃতিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জোনাস ঘার স্টোর বলেন, শিশুদের শৈশব রক্ষায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি শৈশব চাই যেখানে শিশুরা খেলাধুলা, বন্ধুত্ব ও স্বাভাবিক জীবন উপভোগ করতে পারবে—অ্যালগরিদম বা স্ক্রিনের নিয়ন্ত্রণে নয়। সরকার জানায়, নতুন আইনের আওতায় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকেই ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের দায়িত্ব নিতে হবে। অর্থাৎ, বয়সসীমা মানা হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপরই বর্তাবে। নরওয়ের ডিজিটালাইজেশন ও প্রশাসনমন্ত্রী বলেন, শিশুরা নিজেরা প্ল্যাটফর্ম এড়িয়ে চলবে—এমন প্রত্যাশা করা যাবে না। এই দায়িত্ব প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর। ইউরোপের অন্যান্য দেশ যেমন ফ্রান্স, স্পেন এবং ডেনমার্ক-ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা করেছে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্ক এরই মধ্যে এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এছাড়া ইউরোপীয় কমিশন সম্প্রতি একটি বয়স যাচাই অ্যাপ চালুর ঘোষণা দিয়েছে, যা শ

শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে নরওয়ে

শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদারে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে নরওয়ে। দেশটি ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকার।

এক বিবৃতিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জোনাস ঘার স্টোর বলেন, শিশুদের শৈশব রক্ষায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি শৈশব চাই যেখানে শিশুরা খেলাধুলা, বন্ধুত্ব ও স্বাভাবিক জীবন উপভোগ করতে পারবে—অ্যালগরিদম বা স্ক্রিনের নিয়ন্ত্রণে নয়।

সরকার জানায়, নতুন আইনের আওতায় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকেই ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের দায়িত্ব নিতে হবে। অর্থাৎ, বয়সসীমা মানা হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপরই বর্তাবে।

নরওয়ের ডিজিটালাইজেশন ও প্রশাসনমন্ত্রী বলেন, শিশুরা নিজেরা প্ল্যাটফর্ম এড়িয়ে চলবে—এমন প্রত্যাশা করা যাবে না। এই দায়িত্ব প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর।

ইউরোপের অন্যান্য দেশ যেমন ফ্রান্স, স্পেন এবং ডেনমার্ক-ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা করেছে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্ক এরই মধ্যে এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

এছাড়া ইউরোপীয় কমিশন সম্প্রতি একটি বয়স যাচাই অ্যাপ চালুর ঘোষণা দিয়েছে, যা শিগগিরই ইউরোপের নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

সরকার আরও জানায়, এরই মধ্যে স্ক্রিন-টাইম নিয়ন্ত্রণ, মোবাইলমুক্ত স্কুলসহ নানা উদ্যোগ নেওয়ার ফলে শিশুদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের হার কিছুটা কমেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই আইন কার্যকর হলে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অনলাইন ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow