শুভেন্দুর সহকারীকে হত্যার পর এবার বিজেপি কর্মীদের ওপর বোমা হামলা
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা থামার কোনো লক্ষণ নেই। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দলটির কর্মীদের ওপর বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরে এই বর্বরোচিত হামলায় অন্তত পাঁচজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার (৬ মে) রাতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পানিহাটি বিধানসভার অন্তর্গত সোদপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডের দত্ত রোডে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজেপি কর্মী শুভব্রত বসু তার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে অন্য কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। সে সময় মোটরসাইকেলে করে আসা একদল দুষ্কৃত তাদের লক্ষ্য করে কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করে। বোমা বিস্ফোরণে শুভব্রতসহ পাঁচজন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলা চালিয়েই দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে দুষ্কৃতরা। আরও পড়ুন>>‘ফিল্মি স্টাইলে’ যেভাবে হত্যা করা হয় শুভেন্দুর সহকারীকেশুভেন্দু অধিকারীর কাছের মানুষদের বারবার এমন ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ কেন?‘বিজেপিতে ঢোকা তৃণমূলের কিছু লোক দলের বদনাম করতে চায়’ বিস্ফোরণের শব্দে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উত্তর ২৪
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা থামার কোনো লক্ষণ নেই। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দলটির কর্মীদের ওপর বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরে এই বর্বরোচিত হামলায় অন্তত পাঁচজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার (৬ মে) রাতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পানিহাটি বিধানসভার অন্তর্গত সোদপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডের দত্ত রোডে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজেপি কর্মী শুভব্রত বসু তার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে অন্য কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। সে সময় মোটরসাইকেলে করে আসা একদল দুষ্কৃত তাদের লক্ষ্য করে কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করে।
বোমা বিস্ফোরণে শুভব্রতসহ পাঁচজন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলা চালিয়েই দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে দুষ্কৃতরা।
আরও পড়ুন>>
‘ফিল্মি স্টাইলে’ যেভাবে হত্যা করা হয় শুভেন্দুর সহকারীকে
শুভেন্দু অধিকারীর কাছের মানুষদের বারবার এমন ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ কেন?
‘বিজেপিতে ঢোকা তৃণমূলের কিছু লোক দলের বদনাম করতে চায়’
বিস্ফোরণের শব্দে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজে নিয়ে যান। তবে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাদের কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানেই চিকিৎসাধীন।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় খড়দহ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দোষীদের শনাক্ত করতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশি তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।
এই হামলার ঘটনায় যথারীতি রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং একে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছে দলটি।
তবে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তীর্থঙ্কর ঘোষ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ বিজেপির অভ্যন্তরীণ বিষয়। নতুন বিজেপি বনাম পুরনো বিজেপির দীর্ঘদিনের কোন্দলের জেরেই এই অশান্তি ঘটেছে।’
ডিডি/কেএএ/
What's Your Reaction?