শেরপুরে কৃষকের সেচ পাম্পের দুটি ট্রান্সফরমার চুরি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের পালাশন গ্রামে গভীর রাতে সেচ পাম্পের (মোটর) দুটি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত রাতে ওই গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম (অপুর) সেচ পাম্প থেকে এই ট্রান্সফরমারগুলো নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ভুক্তভোগী কৃষক রফিকুল ইসলাম অপু জানান, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে শনিবার রাতে তিনি সেচ পাম্প বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। রোববার সকালে পাম্পের ঘরে গিয়ে দেখেন বৈদ্যুতিক পোলে থাকা ট্রান্সফরমার দুটি নেই। রাতের কোনো এক সময় সংঘবদ্ধ চোর চক্র সুকৌশলে ট্রান্সফরমারগুলোর ভেতরের মূল্যবান তামা ও অন্যান্য সরঞ্জাম বের করে নিয়ে গেছে। হঠাৎ এই চুরির ফলে ওই এলাকার কৃষি জমিতে সেচ কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রফিকুল ইসলাম বলেন, এমনিতেই চাষাবাদের খরচ বাড়ছে, তার ওপর ট্রান্সফরমার চুরিতে আমার বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়ে গেল। এখন সেচ দেওয়া নিয়ে আমি চরম বিপাকে পড়েছি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় ইদানীং চুরির উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রান্সফরমার চুরির ফলে শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় পুরো এলাকার সেচ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে। তারা দ্রুত এই চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনের

শেরপুরে কৃষকের সেচ পাম্পের দুটি ট্রান্সফরমার চুরি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের পালাশন গ্রামে গভীর রাতে সেচ পাম্পের (মোটর) দুটি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত রাতে ওই গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম (অপুর) সেচ পাম্প থেকে এই ট্রান্সফরমারগুলো নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

ভুক্তভোগী কৃষক রফিকুল ইসলাম অপু জানান, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে শনিবার রাতে তিনি সেচ পাম্প বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। রোববার সকালে পাম্পের ঘরে গিয়ে দেখেন বৈদ্যুতিক পোলে থাকা ট্রান্সফরমার দুটি নেই। রাতের কোনো এক সময় সংঘবদ্ধ চোর চক্র সুকৌশলে ট্রান্সফরমারগুলোর ভেতরের মূল্যবান তামা ও অন্যান্য সরঞ্জাম বের করে নিয়ে গেছে। হঠাৎ এই চুরির ফলে ওই এলাকার কৃষি জমিতে সেচ কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রফিকুল ইসলাম বলেন, এমনিতেই চাষাবাদের খরচ বাড়ছে, তার ওপর ট্রান্সফরমার চুরিতে আমার বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়ে গেল। এখন সেচ দেওয়া নিয়ে আমি চরম বিপাকে পড়েছি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় ইদানীং চুরির উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রান্সফরমার চুরির ফলে শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় পুরো এলাকার সেচ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে। তারা দ্রুত এই চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এ বিষয়ে অতিদ্রুত লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় থানা অফিসার ইনচার্জ ইব্রাহিম আলী বলেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। তবে চুরিকৃত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow