শেরপুরে পুকুর সংস্কারের নামে অবৈধভাবে মাটি ও বালু বিক্রি, ঘরবাড়ি ধসের আশঙ্কা

বগুড়ার শেরপুরে পুকুর সংস্কারের দোহাই দিয়ে গভীর গর্ত করে অবৈধভাবে মাটি ও বালু বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুর সংলগ্ন ঘরবাড়ি ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ভারী যানবাহনে মাটি পরিবহনের ফলে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের খানপুর মধ্যপাড়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই গ্রামের মৃত রহিছ উদ্দিনের ছেলে রঞ্জুল সরকার তার পুকুর থেকে ভেকু দিয়ে গভীর করে মাটি ও বালু উত্তোলন করছেন। উত্তোলিত এই মাটি ও বালু ড্রাম ট্রাক ও ট্রলিযোগে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দা হায়দার আলী, ওমর আলী ও ছোহরাব আলীসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, পুকুরটি যেভাবে গভীর করে খনন করা হচ্ছে, তাতে আমাদের ঘরবাড়ি যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। চারপাশে ঘনবসতি থাকা সত্ত্বেও কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এই খনন কাজ চলছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছি আমরা।ভুক্তভোগীরা আরও জানান, দিনরাত মাটিবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামের কাঁচা-পাকা রাস্তাগুলো ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন পথচারী ও এলাকাবাসী। বারব

শেরপুরে পুকুর সংস্কারের নামে অবৈধভাবে মাটি ও বালু বিক্রি, ঘরবাড়ি ধসের আশঙ্কা

বগুড়ার শেরপুরে পুকুর সংস্কারের দোহাই দিয়ে গভীর গর্ত করে অবৈধভাবে মাটি ও বালু বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুর সংলগ্ন ঘরবাড়ি ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ভারী যানবাহনে মাটি পরিবহনের ফলে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের খানপুর মধ্যপাড়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই গ্রামের মৃত রহিছ উদ্দিনের ছেলে রঞ্জুল সরকার তার পুকুর থেকে ভেকু দিয়ে গভীর করে মাটি ও বালু উত্তোলন করছেন। উত্তোলিত এই মাটি ও বালু ড্রাম ট্রাক ও ট্রলিযোগে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা হায়দার আলী, ওমর আলী ও ছোহরাব আলীসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, পুকুরটি যেভাবে গভীর করে খনন করা হচ্ছে, তাতে আমাদের ঘরবাড়ি যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। চারপাশে ঘনবসতি থাকা সত্ত্বেও কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এই খনন কাজ চলছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছি আমরা।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, দিনরাত মাটিবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামের কাঁচা-পাকা রাস্তাগুলো ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন পথচারী ও এলাকাবাসী। বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও প্রভাবশালী ওই ব্যক্তি খনন কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, পুকুর খনন বা বালু উত্তোলনের মাধ্যমে জনবসতি ও রাস্তাঘাটের ক্ষতি করার কোনো সুযোগ নেই। অবৈধভাবে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত এই অবৈধ খনন কাজ বন্ধ করে তাদের বসতভিটা ও সরকারি রাস্তা রক্ষায় প্রশাসন যেন কঠোর ভূমিকা পালন করে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow