শেরপুরে হামের উপসর্গে ৯ মাসের শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে সাফুয়াত (৯ মাস) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সাফুয়াত শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের মাদারপুর গ্রামের মোজাম্মেলের ছেলে। এদিকে, শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালে ৬০ জন রোগী ভর্তি রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গুরুতর অবস্থায় সাফুয়াতকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে টানা তিন দিন ধরে সে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিল এবং তার শারীরিক অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা দেন এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাকে সেখানে নেওয়া সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়। সাফুয়াতের বাবা মুজাম্মেল হোসেন বলেন, দুইদিন ধরে তার জ্বর ছিল, শরীরে ফুস

শেরপুরে হামের উপসর্গে ৯ মাসের শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে সাফুয়াত (৯ মাস) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সাফুয়াত শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের মাদারপুর গ্রামের মোজাম্মেলের ছেলে।

এদিকে, শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালে ৬০ জন রোগী ভর্তি রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গুরুতর অবস্থায় সাফুয়াতকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে টানা তিন দিন ধরে সে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিল এবং তার শারীরিক অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক।

হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা দেন এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাকে সেখানে নেওয়া সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়।

সাফুয়াতের বাবা মুজাম্মেল হোসেন বলেন, দুইদিন ধরে তার জ্বর ছিল, শরীরে ফুসকুড়ি উঠেছিল। আজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম নেওয়া পর আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে।

সাফুয়াতের দাদি মাফুজা বেগম বলেন, “কয়েকদিন ধরে তার জ্বর ছিল, শরীরে ফুসকুড়ি উঠেছিল। আজ হাসপাতালে নেওয়ার পরই সে মারা যায়।” তিনি জানান, সাফুয়াতের বাবা দিনমজুর হিসেবে মাটি কাটার কাজ করেন। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিকেল বা রাতে শিশুটির দাফন সম্পন্ন করা হবে।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী রেজিস্টার ডা. আরাফুরন্নাহার বলেন, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চিকিৎসা দিয়েছি এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কিন্তু আর্থিক কারণে তারা নিতে পারেনি। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow