শেষ ধাপের ক্যানসারে আক্রান্ত সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কিভান কিগান জানিয়েছেন, তিনি স্টেজ-৪ ক্যানসারে আক্রান্ত। ৭৫ বছর বয়সী সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক ও কোচ নিজের অসুস্থতার কথা এক অনুষ্ঠানে প্রকাশ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারি তার পরিবার ও ক্লাব নিউক্যাসল ইউনাইটেড যৌথভাবে জানায়, ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালের সেরা ইউরোপিয়ান ফুটবলারের খেতাব জেতা কিগান ক্যানসারে আক্রান্ত। তবে তখন তার অসুস্থতার ধরন বা বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। স্টেজ-৪ মানে এটি শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে। কিগান জানান, সড়ক দুর্ঘটনার পর অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতির জন্য স্ক্যান করানোর সময় চিকিৎসকেরা তার শরীরে ক্যানসার শনাক্ত করেন। পরে তাকে জানানো হয় যে রোগটি স্টেজ-৪, অর্থাৎ ক্যানসার শরীরের বিভিন্ন অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন কিগান। চিকিৎসকে কাছে যাই, তিনি ছিলেন লিভারপুলের সমর্থক। তাই মনে হয়েছিল আমি একা নই। চিকিৎসক তাকে নতুন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতির কথা জানান। তিনি আমাকে বললেন, ‘কেভিন, তোমার রোগের জন্য এই নতুন চিকিৎসা পদ্ধতিতে আমার দারুণ সাফল্যের হার আছে।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘সাফল্যের হার কত?’ তিনি বললেন, ‘৩৩ শতাংশ

শেষ ধাপের ক্যানসারে আক্রান্ত সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কিভান কিগান জানিয়েছেন, তিনি স্টেজ-৪ ক্যানসারে আক্রান্ত। ৭৫ বছর বয়সী সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক ও কোচ নিজের অসুস্থতার কথা এক অনুষ্ঠানে প্রকাশ করেন।

চলতি বছরের জানুয়ারি তার পরিবার ও ক্লাব নিউক্যাসল ইউনাইটেড যৌথভাবে জানায়, ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালের সেরা ইউরোপিয়ান ফুটবলারের খেতাব জেতা কিগান ক্যানসারে আক্রান্ত। তবে তখন তার অসুস্থতার ধরন বা বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

স্টেজ-৪ মানে এটি শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

কিগান জানান, সড়ক দুর্ঘটনার পর অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতির জন্য স্ক্যান করানোর সময় চিকিৎসকেরা তার শরীরে ক্যানসার শনাক্ত করেন। পরে তাকে জানানো হয় যে রোগটি স্টেজ-৪, অর্থাৎ ক্যানসার শরীরের বিভিন্ন অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন কিগান। চিকিৎসকে কাছে যাই, তিনি ছিলেন লিভারপুলের সমর্থক। তাই মনে হয়েছিল আমি একা নই। চিকিৎসক তাকে নতুন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতির কথা জানান। তিনি আমাকে বললেন, ‘কেভিন, তোমার রোগের জন্য এই নতুন চিকিৎসা পদ্ধতিতে আমার দারুণ সাফল্যের হার আছে।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘সাফল্যের হার কত?’ তিনি বললেন, ‘৩৩ শতাংশ।’ আমি ভেবেছিলাম হয়তো ৮০ বা ৯০ শতাংশ বলবেন। কিন্তু তিনি বললেন ৩৩ শতাংশ। তবুও আমি এখনো এখানে আছি।

খেলোয়াড়ি জীবনে কিগান ছিলেন ইউরোপের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড। লিভারপুল এবং হামবার্গার এবভির এর হয়ে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন। ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালে তিনি ইউরোপিয়ান ফুটবলার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন।

কোচ হিসেবে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে তিনি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপার খুব কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের দায়িত্বও পালন করেন।

কিগানের খবর প্রকাশের পর ক্লাবটি এক বার্তায় তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছে, তিনি ক্লাবের ইতিহাস ও সমর্থকদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছেন। ক্লাবের সবাই তার এবং তার পরিবারের জন্য শুভকামনা ও শক্তি কামনা করছে।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow