শ্বাসকষ্টে ভুগে পথিমধ্যে প্রাণ গেল মোহন খানের

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের লক্ষণদিয়া গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম মোহন (৪৮) আর নেই। তিনি মৃত মোসলেম খান মেম্বারের সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন এবং নিয়মিত ইনহেলার ব্যবহার করতেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, গতকাল সকাল আনুমানিক সকাল ৭টার দিকে হঠাৎ করে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। এ সময় আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো ও প্রচণ্ড মেঘের গর্জনে তিনি আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয়ভাবে যাকে “ডাক পড়া” বলা হয়, সেই বিকট শব্দের পরপরই তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে তার হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। স্ত্রী, সন্তান ও চাচাতো ভাইয়েরা অটোভ্যানযোগে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রওনা দেন। কিন্তু পথিমধ্যেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে জাহাঙ্গীর আলম মোহনের বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। তিনি দুই স্ত্রী, চার মেয়ে ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মোহন খান একজন সহজ-সরল ও পরিচিত

শ্বাসকষ্টে ভুগে পথিমধ্যে প্রাণ গেল মোহন খানের

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের লক্ষণদিয়া গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম মোহন (৪৮) আর নেই। তিনি মৃত মোসলেম খান মেম্বারের সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন এবং নিয়মিত ইনহেলার ব্যবহার করতেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গতকাল সকাল আনুমানিক সকাল ৭টার দিকে হঠাৎ করে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। এ সময় আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো ও প্রচণ্ড মেঘের গর্জনে তিনি আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয়ভাবে যাকে “ডাক পড়া” বলা হয়, সেই বিকট শব্দের পরপরই তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।

একপর্যায়ে তার হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। স্ত্রী, সন্তান ও চাচাতো ভাইয়েরা অটোভ্যানযোগে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রওনা দেন। কিন্তু পথিমধ্যেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুকালে জাহাঙ্গীর আলম মোহনের বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। তিনি দুই স্ত্রী, চার মেয়ে ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মোহন খান একজন সহজ-সরল ও পরিচিত মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুতে লক্ষণদিয়া গ্রামে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow