শ্রম আইন সংশোধনী বাতিলের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর শ্রমিক স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন ধারা সংশোধনের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সেক্টর কর্পোরেশন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়ন ঐক্য ফোরাম। আজ ২ এপ্রিল ২০২৬ইং রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করে। এতে শ্রম আইনের কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন থাকলেও বেশ কিছু সংশোধনী শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থের পরিপন্থী হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। এসব সংশোধনের ফলে শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব, যৌথ দরকষাকষির অধিকার এবং ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বক্তারা উল্লেখ করেন, সংশোধিত আইনের ধারা ২০২(২৪) অনুযায়ী যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধির ক্ষমতা হ্রাস করা হয়েছে। এর ফলে শ্রমিকদের পক্ষে আদালতে প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার সীমিত হয়ে যাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮–এর পরিপন্থী। তারা এ বিধান বাতিল করে পূর্বের নিয়ম পুনর্বহালের দাবি জানান। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ

শ্রম আইন সংশোধনী বাতিলের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর শ্রমিক স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন ধারা সংশোধনের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সেক্টর কর্পোরেশন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়ন ঐক্য ফোরাম।

আজ ২ এপ্রিল ২০২৬ইং রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করে। এতে শ্রম আইনের কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন থাকলেও বেশ কিছু সংশোধনী শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থের পরিপন্থী হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। এসব সংশোধনের ফলে শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব, যৌথ দরকষাকষির অধিকার এবং ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বক্তারা উল্লেখ করেন, সংশোধিত আইনের ধারা ২০২(২৪) অনুযায়ী যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধির ক্ষমতা হ্রাস করা হয়েছে। এর ফলে শ্রমিকদের পক্ষে আদালতে প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার সীমিত হয়ে যাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮–এর পরিপন্থী। তারা এ বিধান বাতিল করে পূর্বের নিয়ম পুনর্বহালের দাবি জানান।

এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটিতে বাইরে থেকে ১০ শতাংশ নেতা নির্বাচনের সুযোগ বাতিল করায় সংগঠনগুলো নেতৃত্ব সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বক্তারা। তারা ধারা ১৮০(১)(খ) অনুযায়ী পূর্বের বিধান পুনর্বহালের দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, ধারা ১৮৪ অনুযায়ী বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের অধিকার বাতিল করা হয়েছে, যা সংগঠনের স্বাধীনতার পরিপন্থী। পাইলট, প্রকৌশলী ও কেবিন ক্রুসহ সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে এ ধরনের ইউনিয়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

মানববন্ধন থেকে অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা, ত্রিপাক্ষিক কমিটি কিংবা শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এসব সংশোধনী চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। বক্তারা অবিলম্বে শ্রমিক স্বার্থবিরোধী সংশোধনীগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। সবশেষে মানববন্ধন থেকে জাতীয় সংসদের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যদের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow