শ্রীলঙ্কার বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২ জন নিহত

শ্রীলঙ্কার একটি বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সাতজন।বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দেশটির পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। পুলিশের তথ্যমতে, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে কালুতারা জেলার আঙ্গুরুওয়াতোতায় অবস্থিত মাউপিয়া সেভানা এল্ডারলি কেয়ার হোম-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের সবাই বৃদ্ধাশ্রমটির বাসিন্দা ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় প্রতিষ্ঠানটিতে ৭০ জনের বেশি প্রবীণ বাসিন্দা অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পর বৃহস্পতিবার ব্যক্তিমালিকানাধীন এই বৃদ্ধাশ্রমের মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কায় অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় এটি সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। আগুনের মধ্যে থেকে মোট ৫১ জন বাসিন্দাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আহত সাতজন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। হোরানা ম্যাজিস্ট

শ্রীলঙ্কার বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২ জন নিহত

শ্রীলঙ্কার একটি বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সাতজন।বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দেশটির পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে কালুতারা জেলার আঙ্গুরুওয়াতোতায় অবস্থিত মাউপিয়া সেভানা এল্ডারলি কেয়ার হোম-এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের সবাই বৃদ্ধাশ্রমটির বাসিন্দা ছিলেন।

অগ্নিকাণ্ডের সময় প্রতিষ্ঠানটিতে ৭০ জনের বেশি প্রবীণ বাসিন্দা অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পর বৃহস্পতিবার ব্যক্তিমালিকানাধীন এই বৃদ্ধাশ্রমের মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কায় অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় এটি সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।

আগুনের মধ্যে থেকে মোট ৫১ জন বাসিন্দাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আহত সাতজন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

হোরানা ম্যাজিস্ট্রেট লক্ষ্মিণী বিদানাগামাগের তত্ত্বাবধানে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তদন্তের সময় ধ্বংসস্তূপ থেকে দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি বিড়ালের দেহও ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সূত্র : দ্য হিন্দু

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow