সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের বেদখল জমি উদ্ধার আবেদন নিষ্পত্তিতে নির্দেশ

মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারের জন্য করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েও রুল জারি করা হয়েছে। এছাড়া এই হাসপাতালের দখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না জানতে চেয়েও রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন রিটকারি আইনজীবী সফিকুল ইসলাম (মিজান)। তিনি বলেন, মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের মোট ৩২/৩৫ একর জমির মধ্যে ৩০ একরই অবৈধভাবে বেদখল হয়ে রয়েছে। হাসপাতালটির মূল ভবনের চারপাশের খালি জায়গা দখল করে বস্তি, কাঁচাবাজার ও হোটেল গড়ে উঠেছে। প্রথমে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করি হাসপাতালের নামে কতটুকু জমি রয়েছে তা জানতে। এর পর হাসপাতালের নামে কতটুকু জমি আছে এবং বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আবেদন করার পর প্রতিকার না

সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের বেদখল জমি উদ্ধার আবেদন নিষ্পত্তিতে নির্দেশ

মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারের জন্য করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েও রুল জারি করা হয়েছে।

এছাড়া এই হাসপাতালের দখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না জানতে চেয়েও রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন রিটকারি আইনজীবী সফিকুল ইসলাম (মিজান)।

তিনি বলেন, মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের মোট ৩২/৩৫ একর জমির মধ্যে ৩০ একরই অবৈধভাবে বেদখল হয়ে রয়েছে। হাসপাতালটির মূল ভবনের চারপাশের খালি জায়গা দখল করে বস্তি, কাঁচাবাজার ও হোটেল গড়ে উঠেছে। প্রথমে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করি হাসপাতালের নামে কতটুকু জমি রয়েছে তা জানতে।

এর পর হাসপাতালের নামে কতটুকু জমি আছে এবং বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আবেদন করার পর প্রতিকার না পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার (২ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি খিজির আহমেদ ও বিচারপতির জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি হওয়ার করেন অ্যাডভোকেট মে সফিকুল ইসলাম (মিজান)।

হাসপাতাল ছাড়া বাকি প্রায় ৩০ একর জায়গা জুড়ে অবৈধভাবে বস্তি, কাঁচাবাজার, খাবার হোটেল দোকানপাট এবং রিকশা গ্যারেজ গড়ে উঠেছে। এসব দখলকৃত অবৈধ স্থাপনায় হাসপাতালের নিজস্ব লাইন থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে, যার বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

আইনজীবী বলেন, মহাখালীতে অবস্থিত সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের ৩০ একর জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে বস্তি। এটা হাসপাতালটির মোট সম্পত্তির ৮৫ শতাংশ। এখন হাসপাতালের প্রায় দুই একরের খেলার মাঠটিও দখলের চেষ্টা চলছে।

এফএইচ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow