‘সত্যিই খুব হতাশ, এখনও দেশে ফিরতে প্রস্তুত নই’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা একেবারেই হতাশার ছিল অস্ট্রেলিয়ার জন্য। নিজেদের শেষ ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে জিতলেও, এবারের আসরটা অজিদের জন্য ভুলে যাওয়ার মতো। কোনোভাবেই মনে রাখতে চাইবে না দলটি ২০২৬ আসরের কথা। শুরুটা আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৭ রানের বড় ব্যবধানে হলেও বিরাট ধাক্কা খায় মিচেল মার্শের দল জিম্বাবুয়ের কাছে ২৩ রানে হেরে। এরপর স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে চলে আসে অজিরা। সবশেষ আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় বাদ পড়তে হয় মার্শদের। শেষ ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে ৯ উইকেটের জয়ে শেষটা রাঙালেও হতাশা কাটেনি অজি খেলোয়াড়দের। ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা। ম্যাচসেরার পুরস্কার নিতে এসে সময়টা যে কঠিন ছিল স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘(টুর্নামেন্ট নিয়ে) কয়েকটা দিন খুবই কঠিন ছিল। ড্রেসিং রুমে আওয়াজ খুবই কম ছিল। বিশ্বকাপ এত দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ায় মন খারাপ। আমরা এমন ক্রিকেট স্টাইল তৈরি করার চেষ্টা করেছিলাম যা আমাদের জন্য কার্যকর হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সেটা আমাদের কাজে আসেনি।’ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে নিজের পারফরম্যান্স নিয়েও সন্তুষ্ট

‘সত্যিই খুব হতাশ, এখনও দেশে ফিরতে প্রস্তুত নই’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা একেবারেই হতাশার ছিল অস্ট্রেলিয়ার জন্য। নিজেদের শেষ ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে জিতলেও, এবারের আসরটা অজিদের জন্য ভুলে যাওয়ার মতো। কোনোভাবেই মনে রাখতে চাইবে না দলটি ২০২৬ আসরের কথা।

শুরুটা আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৭ রানের বড় ব্যবধানে হলেও বিরাট ধাক্কা খায় মিচেল মার্শের দল জিম্বাবুয়ের কাছে ২৩ রানে হেরে। এরপর স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে চলে আসে অজিরা। সবশেষ আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় বাদ পড়তে হয় মার্শদের।

শেষ ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে ৯ উইকেটের জয়ে শেষটা রাঙালেও হতাশা কাটেনি অজি খেলোয়াড়দের। ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা। ম্যাচসেরার পুরস্কার নিতে এসে সময়টা যে কঠিন ছিল স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘(টুর্নামেন্ট নিয়ে) কয়েকটা দিন খুবই কঠিন ছিল। ড্রেসিং রুমে আওয়াজ খুবই কম ছিল। বিশ্বকাপ এত দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ায় মন খারাপ। আমরা এমন ক্রিকেট স্টাইল তৈরি করার চেষ্টা করেছিলাম যা আমাদের জন্য কার্যকর হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সেটা আমাদের কাজে আসেনি।’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে নিজের পারফরম্যান্স নিয়েও সন্তুষ্ট নন জাম্পা। তিনি বলেন, ‘পেছনে ফিরে দেখলে শ্রীলঙ্কার ম্যাচে আরও কিছু করা যেত। সেই ম্যাচে অবদান প্রত্যাশা অনুযায়ী ছিল না। আমার কাজ হলো ম্যাচের মাঝারি সময়ে উইকেট নেওয়া। কিছু ম্যাচে তা করতে পেরেছি, কিন্তু অন্য কিছু ম্যাচে পারিনি। দুঃখজনকভাবে, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমরা সেটি করতে সক্ষম হইনি। যে কোনো সময় উইকেট থাকা ভালো, না থাকা নয়। সত্যিই খুব হতাশ। এমন পরিস্থিতিতে আমি এখনও আগামীকাল দেশে ফিরতে প্রস্তুত নই।’ 

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow