সমঝোতা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের লাভ অনেক বেশি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সই হওয়া প্রাথমিক সমঝোতা চুক্তিতে ওয়াশিংটনের চেয়ে তেহরানের লাভ অনেক বেশি হয়েছে বলে মনে করছেন মার্কিন নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সামরিক বিশ্লেষক হার্লান উলম্যান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। ওয়াশিংটন ডিসি থেকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে এই ৬০ দিনের আলোচনার মেয়াদ আরও কয়েক দফায় বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে। আরও পড়ুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ১৪ দফায় যা আছে হার্লান উলম্যান বলেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে এই চুক্তির মাধ্যমে ইরান খুব ভালো অবস্থানে চলে এসেছে।’ তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, সমঝোতা স্মারকের অষ্টম অনুচ্ছেদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুচ্ছেদে ঠিক সেই ভাষাই ব্যবহার করা হয়েছে, যা ওবামা প্রশাসনের সময় করা আলোচিত পারমাণবিক চুক্তি বা ‘জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন’ (জেসিপিওএ)-এ ছিল। ওই চুক্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছিল যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করতে পারবে না। এই সামরিক বিশ্লেষক প্রশ্ন তুলে বলেন, ওবামা আমলের পারমাণবিক চুক্তির ভাষা যদি এ

সমঝোতা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের লাভ অনেক বেশি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সই হওয়া প্রাথমিক সমঝোতা চুক্তিতে ওয়াশিংটনের চেয়ে তেহরানের লাভ অনেক বেশি হয়েছে বলে মনে করছেন মার্কিন নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সামরিক বিশ্লেষক হার্লান উলম্যান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ওয়াশিংটন ডিসি থেকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে এই ৬০ দিনের আলোচনার মেয়াদ আরও কয়েক দফায় বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

হার্লান উলম্যান বলেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে এই চুক্তির মাধ্যমে ইরান খুব ভালো অবস্থানে চলে এসেছে।’ তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, সমঝোতা স্মারকের অষ্টম অনুচ্ছেদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুচ্ছেদে ঠিক সেই ভাষাই ব্যবহার করা হয়েছে, যা ওবামা প্রশাসনের সময় করা আলোচিত পারমাণবিক চুক্তি বা ‘জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন’ (জেসিপিওএ)-এ ছিল। ওই চুক্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছিল যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করতে পারবে না।

এই সামরিক বিশ্লেষক প্রশ্ন তুলে বলেন, ওবামা আমলের পারমাণবিক চুক্তির ভাষা যদি এখানেও ব্যবহার করা হয়, তবে ট্রাম্প প্রশাসন আসলে নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে কী অর্জন করল, তা বলা মুশকিল। আগামী ৬০ দিনের আলোচনা পর্বেও তারা নতুন কী অর্জন করতে পারবে, তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে।

উলম্যান আরও মনে করিয়ে দেন, ২০১৫ সালের জেসিপিওএ চুক্তিটি চূড়ান্ত করতে দুই বছরেরও বেশি সময় লেগেছিল। সেই তুলনায় বর্তমান সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) ইরানের জন্য খুবই অনুকূল হলেও এর আসল জটিলতা লুকিয়ে রয়েছে খুঁটিনাটি শর্তগুলোর ভেতরে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি আলোচনা চলাকালেও যেন দুই পক্ষের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি বহাল থাকে।

সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow