সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও ওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি
সংসদ সদস্য হিসেবে বরাদ্দ পাওয়া সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন চেয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মু. মিজানুর রহমান। এছাড়া তার সরকারি ফ্ল্যাটের জানালা-দরজায় এখনো পর্দা ঝোলানো হয়নি বলেও জানান জামায়াতের এ সংসদ সদস্য (এমপি)। আরও পড়ুন ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ দাবি করেন তিনি। এদিন বিকেল ৩টা ২ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দ্বারা নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনাকে দুঃখজনক ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনগুলোতে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এবং জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। আরও পড়ুন বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি হত্যা মানবাধিকার লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি বলেন, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহতদের পরিবারকে ভারত সরকার
সংসদ সদস্য হিসেবে বরাদ্দ পাওয়া সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন চেয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মু. মিজানুর রহমান।
এছাড়া তার সরকারি ফ্ল্যাটের জানালা-দরজায় এখনো পর্দা ঝোলানো হয়নি বলেও জানান জামায়াতের এ সংসদ সদস্য (এমপি)।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ দাবি করেন তিনি। এদিন বিকেল ৩টা ২ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দ্বারা নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনাকে দুঃখজনক ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনগুলোতে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এবং জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহতদের পরিবারকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা বা চুক্তি হয়নি। তবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সবসময় সীমান্তে আত্মরক্ষার অজুহাতে প্রাণঘাতী অস্ত্র (লেথাল ওয়েপন্স) ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহির বিষয়েও পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটলে স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এমওএস/কেএসআর
What's Your Reaction?

