সরকারি বই বিক্রির অভিযোগে মাদরাসা সুপারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার করাব রহমানিয়া দাখিল মাদরাসার সরকারি বই ও সিলিং ফ্যানসহ মলামাল বিক্রির অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদি হয়ে শুক্রবার (৮ মে) রাতে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- করাব রহমানিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মুফতি রফিকুল ইসলাম, সহকারি সুপার নুরুল হক চৌধুরী, সহাকরি শিক্ষক আব্বাস উদ্দিন, নজির আহমদ, আবু তালেব, হাসানুল হক ও মো. ইসমাইল হোসেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২২ থেকে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম শ্রেণী থেকে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বিনামূল্যে সরকার প্রদত্ত প্রায় ১ হাজার ৪শ’ কেজি বই অবিতরণকৃত ছিল। নিয়ম অনুযায়ী বইগুলো মাদরাসায় সংরক্ষণের বিধান রয়েছে। কিন্তু বইগুলো প্রতারণামূলকভাবে লাখাই উপজেলার সুনেশ্বর গ্রামের ইমরান মিয়ার নিকট আসামিদের যোগসাজশে বিক্রি করে দেন মাদরাসার সুপার। ইমরান মিয়া বৃহস্পতিবার রাতে একটি পিকআপ ভ্যানে সরকারি বই, নথিপত্র ও বৈদ্যুতিক পাখা তুলে রাখেন। শুক্রবার বিকেলে তিনি মালামাল নিয়ে মাদরাসা থেকে বের হল

সরকারি বই বিক্রির অভিযোগে মাদরাসা সুপারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার করাব রহমানিয়া দাখিল মাদরাসার সরকারি বই ও সিলিং ফ্যানসহ মলামাল বিক্রির অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদি হয়ে শুক্রবার (৮ মে) রাতে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- করাব রহমানিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মুফতি রফিকুল ইসলাম, সহকারি সুপার নুরুল হক চৌধুরী, সহাকরি শিক্ষক আব্বাস উদ্দিন, নজির আহমদ, আবু তালেব, হাসানুল হক ও মো. ইসমাইল হোসেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২২ থেকে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম শ্রেণী থেকে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বিনামূল্যে সরকার প্রদত্ত প্রায় ১ হাজার ৪শ’ কেজি বই অবিতরণকৃত ছিল। নিয়ম অনুযায়ী বইগুলো মাদরাসায় সংরক্ষণের বিধান রয়েছে। কিন্তু বইগুলো প্রতারণামূলকভাবে লাখাই উপজেলার সুনেশ্বর গ্রামের ইমরান মিয়ার নিকট আসামিদের যোগসাজশে বিক্রি করে দেন মাদরাসার সুপার। ইমরান মিয়া বৃহস্পতিবার রাতে একটি পিকআপ ভ্যানে সরকারি বই, নথিপত্র ও বৈদ্যুতিক পাখা তুলে রাখেন। শুক্রবার বিকেলে তিনি মালামাল নিয়ে মাদরাসা থেকে বের হলে স্থানীয়রা গাড়িটি আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে গাড়িটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় রাতে থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার বাদি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সরকারি সম্পদ ও বই এভাবে বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। একটি কমিটির মাধ্যমে দরপত্র ছাড়া এগুলো বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিমুল আক্তার বলেন, আমি ইতোমধ্যে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। কোনোভাবেই সরকারি সম্পদের অপচয় বা চুরি মেনে নেওয়া হবে না।

মাদরাসার সুপার অভিযুক্ত মুফতি রফিকুল ইসলাম বলেন, অফিসের কিছু অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করা হয়েছে। মালামাল গুছাতে দেরি হওয়ায় রাতে গাড়ি ছাড়া হয়েছে।

এছাড়া বইগুলো বিক্রি করার অনুমতি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, জব্দকৃত মালামাল পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ইতোমধ্যেই মামলা হয়েছে। আসামিদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow