সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ স্থাপনাটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। শনিবার (৮ আগস্ট) কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি। এরপর চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিস পরিদর্শন করে পিআইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের পরিচালক শাহীন আক্তার, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার বাপ্পী চক্রবর্তী, বাংলাদেশ বেতারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র দেশের ইতিহাস ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সাংবাদ

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ স্থাপনাটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

শনিবার (৮ আগস্ট) কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি। এরপর চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিস পরিদর্শন করে পিআইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের পরিচালক শাহীন আক্তার, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার বাপ্পী চক্রবর্তী, বাংলাদেশ বেতারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র দেশের ইতিহাস ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আরও বাড়ানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছর অথবা আগামী অর্থবছরের মধ্যে এ বরাদ্দ বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, মিসইনফরমেশন ও ডিজইনফরমেশন প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিউ মিডিয়ার মাধ্যমে একটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। 

তিনি বলেন, অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্যের বিস্তার রোধের পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অনলাইন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি হচ্ছে। এসব মাধ্যমে শিক্ষণীয় ও সচেতনতামূলক রিলস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিউ মিডিয়া প্রকল্পের আওতায় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিসইনফরমেশন ও ডিজইনফরমেশন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন তথ্যচিত্র নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কোনটি সঠিক তথ্য, কোনটি মিসইনফরমেশন এবং কোনটি ডিজইনফরমেশন তা শনাক্ত করার জন্য বিভিন্ন টুলস ও সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে জনগণকে সঠিক তথ্য সম্পর্কে অবহিত করা হবে।

বাংলাদেশ বেতারকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার বিষয়ে তিনি বলেন, বেতারের এফএম সম্প্রচার শক্তিশালী করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। বিটিভিকে আধুনিক ও দর্শকবান্ধব করা হচ্ছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জন্য ফরেনসিক অডিটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে অথবা আগামী ১০ দিনের মধ্যে অডিট কার্যক্রম শুরু হতে পারে। অডিটের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিটিভির ডিজিটালাইজেশনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম আরো আধুনিক ও আকর্ষণীয় করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, বিটিভির জনপ্রিয় সিগনেচার অনুষ্ঠান নতুন কুঁড়িকে আরও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে নতুন কুঁড়ির আবেদন গ্রহণের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। এ ধরনের অনুষ্ঠান আরও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা গেলে দর্শক-শ্রোতাদের বিটিভির প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পিআইডিতে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিস পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, শুধু সরকারের তথ্য প্রচার নয়, দুর্যোগের সময় জনগণকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও পিআইডিকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। এ জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

পিআইডির কাজের পরিধি বড় হলেও জনবল সংকটের কারণে অনেক সময় কর্মকর্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে ইয়াসের খান চৌধুরী জানান, এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান জনবল ও সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা বাপ্পী চক্রবর্তী অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow