সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ২
মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, পাভেলুর রহমান শফিক খান ও বোটানিক অ্যারোমার কর্ণধার আসাদুজ্জামান লিটনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) রাতে মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ডিসেম্বর দায়ের হওয়া একটি সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় প্রধান আসামি করা হয় পাভেল খানকে। মামলার পর থেকেই তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, তিনি ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান লিটনের বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ঘটকচর এলাকার লিটনের বাড়িটি ঘিরে ফেলে পুলিশ। পরে সেখান থেকে শফিকুল রহমান পাভেল খান ও মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান লিটনকে আটক করা হয়। আটক আসাদুজ্জামান লিটন ‘বোটানিক অ্যারোমা’ না
মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, পাভেলুর রহমান শফিক খান ও বোটানিক অ্যারোমার কর্ণধার আসাদুজ্জামান লিটনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) রাতে মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ডিসেম্বর দায়ের হওয়া একটি সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় প্রধান আসামি করা হয় পাভেল খানকে। মামলার পর থেকেই তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, তিনি ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান লিটনের বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ঘটকচর এলাকার লিটনের বাড়িটি ঘিরে ফেলে পুলিশ। পরে সেখান থেকে শফিকুল রহমান পাভেল খান ও মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান লিটনকে আটক করা হয়। আটক আসাদুজ্জামান লিটন ‘বোটানিক অ্যারোমা’ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও কর্ণধার। এলাকায় তিনি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
মামলার প্রধান আসামিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আটক দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।