সাবেক এমপি শিখর ও তার স্ত্রীর নামে অভিযোগপত্র অনুমোদন
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় মাগুরা–১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. সাইফুজ্জামান শিখর এবং তার স্ত্রী সীমা রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শিগগির আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি সীমা রহমান তার স্বামী সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ থেকে ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, সীমা রহমানের নামে মোট ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৫৫ হাজার ১৪৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যবসায়িক পুঁজি, শেয়ার, মোটরযান, আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার, ব্যাংক জমা ও সঞ্চয়পত্রসহ প্রায় ৮২ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্যও মিলেছে। আরও পড়ুনস্ত্রীসহ সাবেক এমপি শিখরের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলাস্ত্রীসহ সাবেক এমপি শিখরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় মাগুরা–১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. সাইফুজ্জামান শিখর এবং তার স্ত্রী সীমা রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শিগগির আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি সীমা রহমান তার স্বামী সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ থেকে ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি মামলা দায়ের করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, সীমা রহমানের নামে মোট ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৫৫ হাজার ১৪৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যবসায়িক পুঁজি, শেয়ার, মোটরযান, আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার, ব্যাংক জমা ও সঞ্চয়পত্রসহ প্রায় ৮২ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্যও মিলেছে।
আরও পড়ুন
স্ত্রীসহ সাবেক এমপি শিখরের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা
স্ত্রীসহ সাবেক এমপি শিখরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে ৫ কাঠার একটি প্লট ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায় এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচল নতুন শহর আবাসিক প্রকল্পে ৫ কাঠার একটি প্লট ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকায় ক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদকের তদন্তে দেখা গেছে, ২০১৫-১৬ করবর্ষ থেকে ২০২৩-২৪ করবর্ষ পর্যন্ত সীমা রহমানের গ্রহণযোগ্য আয় ৬৭ লাখ ১৩ হাজার ৯৯০ টাকা। পারিবারিক ব্যয় বাদ দিলে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৩৬ লাখ ১৬ হাজার ৪৬৬ টাকা। এ হিসাবে তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ প্রায় ৩ কোটি ১৮ লাখ ৩৮ হাজার ৬৭৯ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দুদকের তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, সীমা রহমান তার স্বামী সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের ক্ষমতার প্রভাব ও আর্থিক সহায়তায় এই সম্পদ অর্জন করেছেন। ফলে সীমা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় এবং সাইফুজ্জামান শিখরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এসএম/ইএ
What's Your Reaction?