সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় দুদকের দায়ের করা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে একদিনের জন্য জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক আল-আমিন আবেদনটি করেন। রাষ্ট্র পক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আদালতে দাখিলকৃত আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, জুনাইদ আহমেদ পলক ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে ও বেনামে থাকা ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য মিলেছে, যা তার বৈধ আয়ের উৎসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ​এছাড়া মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে আবেদনে বলা হয়, পলক তার নিজ ও যৌথ নামে বিভিন্ন ব্যাংকের ২৫টি হিসাবে মোট ৩২ কোটি ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা জমা করেছেন। এর মধ্যে ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা ইতিমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। দুদক মনে করছে, এই অর্থ ঘুষ ও দুর্নীতির

সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় দুদকের দায়ের করা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে একদিনের জন্য জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক আল-আমিন আবেদনটি করেন। রাষ্ট্র পক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদালতে দাখিলকৃত আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, জুনাইদ আহমেদ পলক ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে ও বেনামে থাকা ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য মিলেছে, যা তার বৈধ আয়ের উৎসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

​এছাড়া মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে আবেদনে বলা হয়, পলক তার নিজ ও যৌথ নামে বিভিন্ন ব্যাংকের ২৫টি হিসাবে মোট ৩২ কোটি ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা জমা করেছেন। এর মধ্যে ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা ইতিমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। দুদক মনে করছে, এই অর্থ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এবং তা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারাও যুক্ত রয়েছে। বর্তমানে আসামি জেলহাজতে থাকায় তদন্তের স্বার্থে তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদনটি করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow