সাবেক সেনা কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী-সন্তানের কর নথি তলব
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধানের মুখে পড়েছেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন। অভিযোগের তদন্তে অগ্রগতির জন্য তার স্ত্রী ও সন্তানের আয়কর নথি তলবের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, দুদকের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান গত ১৯ এপ্রিল আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করেন, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্ত চলমান। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার পরিবারের সদস্যদের আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা জরুরি বলে জানানো হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কর অঞ্চল-০৯ ও ১০-এর সংশ্লিষ্ট সার্কেলগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি সরবরাহের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মো. নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী আজিজা তাহেরের ২০১৩-১৪ থেকে ২০২৫-২৬ করবর্ষ পর্যন্ত এবং তার সন্তান মোহাম্মদ জায়েম বিন নাজিমের ২০২০-২১
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধানের মুখে পড়েছেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন। অভিযোগের তদন্তে অগ্রগতির জন্য তার স্ত্রী ও সন্তানের আয়কর নথি তলবের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, দুদকের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান গত ১৯ এপ্রিল আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করেন, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্ত চলমান। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার পরিবারের সদস্যদের আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা জরুরি বলে জানানো হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কর অঞ্চল-০৯ ও ১০-এর সংশ্লিষ্ট সার্কেলগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি সরবরাহের নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মো. নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী আজিজা তাহেরের ২০১৩-১৪ থেকে ২০২৫-২৬ করবর্ষ পর্যন্ত এবং তার সন্তান মোহাম্মদ জায়েম বিন নাজিমের ২০২০-২১ থেকে ২০২৫-২৬ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করা হয়েছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এসব নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে পরিবারের আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর মো. নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি বিশেষ অনুসন্ধান শুরু হয়। আয়কর আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারার আওতায় নথি সংগ্রহ করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। বর্তমানে এই অনুসন্ধান কার্যক্রম দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে তদারকি করা হচ্ছে।
এমডিএএ/এসএনআর
What's Your Reaction?